তিস্তা ও ফেনী নদীর পানি ভাগাভাগিতে সমঝোতার ব্যাপারে আশাবাদী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে নরেদ্র মোদি বলেন, ভারতের রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।
বাংলাদেশে তাঁর প্রথম সফরে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো জোরদার করার কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশের ভিশন ২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়নে সহযোগিতার কথাও বলেন নরেদ্র মোদি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এখন নতুন মাত্রায় উন্নীত হয়েছে।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, সীমান্ত চুক্তি সই, বেশ কয়েকটি স্মারক চুক্তি অনুমোদন এবং
নতুন দুটি রুটে বাস যোগাযোগ উদ্বোধনসহ আরো যে কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা
প্রকৃতপক্ষে ভবিষ্যতে একসঙ্গে পথ চলার আরো সম্ভাবনাময় দ্বার উন্মোচন করলো। তা দু’ দেশের সম্পর্ককে আরো পাকাপোক্ত করলো।
তিস্তা চুক্তি নিয়ে
আশ্বাস দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি যৌথ নদীগুলোকে সম্পর্ক নষ্টের কারণ বানাতে
চান না। তাই শিগগিরই আঞ্চলিক সরকারের সঙ্গে সমঝোতায় এসে তিস্তা চুক্তি সম্পাদন
করতে আগ্রহী তিনি।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সব পণ্য ভারতে করমুক্ত প্রবেশের ব্যবস্থা করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়াতে আরো
নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। এর ফলে উভয় দেশই লাভবান হবে।
বাংলাদেশ এবং ভারত শুধু প্রতিবেশী দেশই নয়, এদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং ধ্যান-ধারণাগত ঐক্যও রয়েছে
উল্লেখ করে মোদি বলেন, বাংলাদেশ মধ্যম আয় এবং উন্নত দেশ হবার জন্য ভিশন-২১
এবং ভিশন-৪১ নামে যে লক্ষ্য স্থির করেছে তা বাস্তবায়িত হবে এটাই প্রত্যাশা।
রেল, স্থল এবং নৌপথে বাংলাদেশ যে ট্রানজিশনাল উদ্যোগগুলো
নিয়েছে তার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ সহায়তা দেবেন বলেনও জানান মোদি।







