আলোচিত পানামা পেপারসের তালিকায় বাংলাদেশের ৫টি কোম্পানি এবং ৩৫টি ঠিকানা রয়েছে। সোমবার ‘পানামা পেপার্স’ ফাঁসকারী ওয়াশিংটনভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়াম আইসিআইজে এই তথ্যভাণ্ডার উন্মুক্ত করে।
গত মাসে পানামা পেপারস ফাঁসের মধ্য দিয়ে বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য সবার সামনে আসে।
কর ফাঁকি দিয়ে বিপুল সম্পদ পাচারের সঙ্গে জড়িত বিশ্বের বিভিন্ন অঙ্গনের দুই লাখেরও বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম দ্বিতীয় দফায় অনলাইনে প্রকাশ করে ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম -আইসিআইজে।
পানামাভিত্তিক আইনি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মোসাক ফনসেকার কাছে ওই নথিগুলো সংরক্ষিত ছিল। ১৯৭৭ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত প্রায় ৪০ বছরের কর্মকান্ডের এসব নথির কিছু অংশ আইসিআইজে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করছে।
নিজেদের ওয়েবসাইটে তথ্য প্রকাশে পর অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিআইজে বলছে, এই ডেটাবেজে উল্লেখিত সবাই যে অবৈধ কাজ করেছে তা নয়, তবে এর মাধ্যমে অনেকে কর ফাঁকি বা আর্থিক তথ্য লুকানোর চেষ্টা করতে পারে।
মোজাক ফনসেকার ফাঁস হয়ে যাওয়া নথি, পানামা পেপার্সের মাধ্যমে বিশ্বের অনেক রাজনীতিবিদ, সরকারী কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপ্রধান থেকে শুরু করে চিত্রতারকা এবং তারকা খেলোয়াড়দেরও গোপন সম্পদের খবর ফাঁস হয়ে যায়।
জার্মান একটি পত্রিকার কাছে ‘জন ডো’ নামে পরিচিত একটি সূত্র এই তথ্যগুলো ফাঁস করে দেয়। আইসিআইজে এই তথ্য প্রকাশ করে। তবে মোজাক ফনসেকা দাবি করছে, তারা বেআইনি কোনো কাজ করেনি।
তথ্য প্রকাশ না করার জন্য গত সপ্তাহে আইসিআইজের কাছে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিল মোজাক ফনসেকা।









