বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট উদ্ভাবিত স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের মাধ্যমে পাটের ছাল ছাড়ানো ও পঁচানোর প্রযুক্তি ব্যবহার করে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন যশোরের কৃষক। অত্যাধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রের দাম নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নদী খাল বিলে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় পাটের ছাল ছাড়াতে ও পঁচাতে সমস্যায় পড়তে হয় কৃষককে। অল্প পানিতে পঁচানোর কারণে পাটের মান হয় খারাপ। কৃষকের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ লাঘব করতে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র।
কৃষকরা বলছে, এ মেশিনএসে যাওয়ার ফলে তাহলে অামাদের পাটের আঁশ ছাড়াতে কষ্ট করতে হয় না। এবং খরচও খুব কম। আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় এই যন্ত্র দিয়ে খুব সহজেই আঁশ ছাড়িয়ে পাট পঁচানো সম্ভব। এতে কৃষকের সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি কমছে উৎপাদন খরচও ।
যন্ত্রটি সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট। ড. রণজিৎ কুমার ঘোষ বলেন, এ পদ্ধতির উপকার হচ্ছে পাট গাছ থেকে ছালকে আলাদা করে পচা পানিতে পচাতে পারে। যে সমস্ত এলাকায় পানি কম রয়েছে সে সমস্ত এলাকায় এ মেশিনটি কৃষকদের খুব উপকারে আসবে।
যশোর মনিরামপুর পাট গবেষণা উপকেন্দ্রের প্রধান মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফিরোজা আখতার বলেন, এ মেশিনের সাহায্য আট ঘণ্টায় এক বিঘা পাটের আঁশ ছাড়ানো যায়। এবং এ আঁশ ছাড়াতে মাত্র চারজন শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।







