বাংলা ছবির গান ইউটিউবে প্রকাশের পর ১২ কিংবা ২৪ ঘণ্টায় মিলিয়নের বেশি মানুষ দেখেছেন এটা খুব কমই দেখা যায়। এর আগে ‘বসগিরি’ ছবির ‘দিল দিল’ এবং ‘ভাইজান এলো রে’ ছবির ‘বেবি জান’ গান দুটি প্রকাশের পর অল্প সময়ে রেকর্ড পরিমাণে মানুষ দেখেছিল। নতুন খবর, নিজের অর্জিত অতীতের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন দেশের তারকা জুটি শাকিব খান ও বুবলী।
এই নায়কের প্রযোজিত ও অভিনীত ছবি ‘পাসওয়ার্ড’-এর ‘পাগল মন’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গানের ভিউয়ার্স দেখা গেছে ১৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। যেটা দেশিয় ছবির গানের ক্ষেত্রে অল্প সময়ে ইউটিউবে গানের ভিউয়ে সর্বোচ্চ!
সবখানেই হইচই ফেলেছে ‘পাগল মন’, এমনকি ইউটিউব ট্রেন্ডের এক নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে গানটি।
ইউটিউবে মানুষের হুমড়ি খেয়ে ‘পাগল মন’ দেখার বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন শাকিব খান নিজেও। এতে বিস্মিত হয়ে তিনি বললেন, ‘পাগল মন’ সত্যি সবাইকে পাগল করে দিয়েছে। বুস্ট কিংবা পাবলিসিটি কম থাকার পরেও অল্প সময়ে এতো ভিউয়ার্স দেখে আমি নিজেও অবাক হয়েছি। কথা দিয়েছিলাম, নতুন কিছু উপহার দেব, আমার দর্শকদের চমকে দেব। তাই করেছি।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরাও গানটি দেখে মুগ্ধতা জানাচ্ছেন। ইতোমধ্যেই শাকিব খানকে রেকর্ডের বরপুত্র বলছেন কেউ কেউ। তাদের মত, এতদিন বলিউডের ছবিতে যেসব দৃষ্টিনন্দন লোকেশন দেখা যেত, সেই লোকেশনে গিয়ে শাকিব খান ও বুবলী শুটিং করলেন। চলচ্চিত্রের এমন নিভু নিভু অবস্থায় এমন দুঃসাহস ঢাকাই চলচ্চিত্রের জন্য আশা জাগানিয়া!
এছাড়া একটি সিনেমার গান মাত্র ৭ ঘণ্টায় ১০ লাখ মানুষের নজরে আসা চারটিখানি কথা নয়! আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, প্রতি ঘণ্টায় এক লাখ করে ভিউ বাড়ছে। চলচ্চিত্রমোদিরা আরও মনে করেন, শাকিব খান ও বুবলীর বলিউডি লুক, নতুন লোকেশন, পিকচারাইজেশন সবকিছু মিলিয়ে ‘পাগল মন’ একেবারে মাতিয়ে দিয়েছে।
শুধু শাকিব খান নয়, গানটি বুবলীর কাছেও চমৎকার লেগেছে। নায়িকা বুবলী বলেন, কষ্টই এখন সার্থক মনে হচ্ছে যখন দর্শকশ্রোতা এতো পছন্দ করেছেন গানটি আর নানান প্রশংসা করছেন। ধন্যবাদ জানাচ্ছি সব দর্শকদের আর এর সাথে এটাও বলবো এরকম ভালো লাগার আরো নানান চমক পেতে অবশ্যই ‘পাসওয়ার্ড’ ছবিটি হলে গিয়ে দেখতে হবে ঈদের সময়।
ইউটিউব ঘেঁটে দেখা গেছে, গানটি দেখে ১০ হাজারের বেশি মানুষ প্রশংসার মন্তব্য করেছেন। ‘পাগল মন’ গানটি গেয়েছেন অশোক সিং। কথা ও সুর করেছেন লিঙ্কন। গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন বাবা যাদব।








