দুর্নীতিতে অভিযুক্ত দুই শীর্ষ সেনাকর্তাসহ ১১ জনকে সরাসরি বরখাস্ত করেছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান রাহেল শরীফ।
এদের মধ্যে একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল, একজন মেজর জেনারেল, পাঁচজন ব্রিগেডিয়ার, তিনজন কর্নেল এবং একজন মেজর পদমর্যাদার।
কথা মতোই কাজ করলেন পাক সেনাপ্রধান। কদিন আগেই বলেছিলেন, সেনাবাহিনীতে দুর্নীতি রুখতে না পারলে পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ এবং উগ্রপন্থা দূর করা যাবে না।
সেনাপ্রধানের এই সিদ্ধান্তকে বিরলই মানছেন বিশেষজ্ঞরা। আর শরীফকে সর্থমন জানিয়ে পাকিস্তার সরকারি ও বিরোধী দলসহ সাধারণ মানুষ।
পাকিস্তানে ব্যাপক ক্ষমতা ভোগ করে সেনাবাহিনী। তাছাড়া দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের বিপরীতে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে সেনাদের। এই অবস্থায় ১১ সেনা সদস্যকে বরখাস্ত করে সেনাবাহিনীর ভিতরের দুর্নীতিকে সামনে আনলেন সেনাপ্রধান।
সেনাসদস্যদের বরখাস্তের কথা এখনো অফিসিয়ালভাবে জানানো হয়নি। তবে পাকিস্তানি গণমাধ্যমগুলো এই খবর ফলাও করে প্রচার করছে।
এই ঘটনায় চাপে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফও। ‘পানামা পেপারস’ দুর্নীতিতে নাম উঠেছে নওয়াজের পরিবারের। নওয়াজের দুই ছেলে এবং এক মেয়ের বিদেশে অফশোর কোম্পানি এবং অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে ফাঁস হওয়া পানামা পেপার।
দেশটির বিরোধীরা পানামা দুর্নীতির তদন্ত দাবি করেছে। অনেকে আবার নওয়াজ শরিফের পদত্যাগের দাবিও তুলেছেন। সেনা প্রধানের এই সিদ্ধান্তের পর সেই দাবি আরেরা জোরাল হবে।







