বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে নেমে ১০৫ রানে অলআউট হয়ে গেছে পাকিস্তান। খেলতে পেরেছে মাত্র ২১.৪ ওভার। থমাস ৪ ও হোল্ডার ৩টি করে উইকেট নিয়ে ভেঙে দিয়েছেন সরফরাজের দলের ব্যটিং-মেরুদণ্ড।
ম্যাচের আগেরদিন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ, তার দলকে ভয় পায় সব দল! কথাটা শুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা ভেতরে তেঁতে উঠেছিলেন কিনা জানা না গেলও, ক্যারিবীয় পেসাররা বুঝিয়ে দিলেন ভয় পাওয়ার মতো কেউ নন তারা!
নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় পাকিস্তান। নেমেই পড়ে ক্যারিবীয় পেস তোপে। মেঘলা আকাশ, সঙ্গে আছে বাতাসও। পেসারদের আদর্শ পরিবেশ।
অনুকূল পরিবেশে তোপ দাগতে দেরি করেননি ক্যারিবীয় পেসাররা। তৃতীয় ওভারেই ওপেনার ইমাম-উল হককে (২) উইকেটরক্ষক শাই হোপের ক্যাচ বানান শেলডন কটরেল।
দুই ওভার পর আবারও উইকেটের পতন। এবার আন্দ্রে রাসেলের বাউন্সার ফখর জামানের (২২) হেলমেটে লেগে ভেঙে দেয় উইকেট। চার ওভার পর রাসেলের বলেই হোপকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন হারিস সোহেল (৮)।
এরপর কেবলই আসা-যাওয়ার মিছিল। রাসেলের পরে মঞ্চে আসেন হোল্ডার ও ওশানে থমাস। বাউন্সার আর সুইংয়ে গুঁড়িয়ে দেন পাকিস্তানিদের মিডল-লোয়ার অর্ডার। শেষ পর্যন্ত ১১ জন মিলে কোনো মতো সেঞ্চুরির কোটাই পার করতে পেরেছে পাকিস্তান।
বাবর আজম ২২, মোহাম্মদ হাফিজ ১৬, শেষদিকে ওয়াহাব রিয়াজের ১৮ রানের ইনিংস বড় লজ্জার হাত থেকেই বাঁচিয়েছে পাকিস্তানকে।
থমাস ২৭ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা। খরুচে হলেও ৪২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে পরের সেরা অধিনায়ক হোল্ডার। ৩ ওভারে মাত্র ৪ চারে ২ উইকেট নিয়েছেন রাসেল। উইকেট কাড়াকাড়ির দিনে একটি গেছে কটরেলের ঝুলিতে। কেবল ব্র্যাথওয়েটই হাত ঘুরিয়ে থাকেন উইকেটশূন্য।








