পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩ হাজার ছাত্রছাত্রীকে জিম্মি করেছের বন্দুকধারীরা। এসময় ক্যাম্পাসে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্যের বরাত দিয়ে জানিয়েছে ডন নিউজ।
নিরাপত্তা বাহিনী জানায়, চার জঙ্গি সহ এ পর্যন্ত মৃতে সংখ্যা ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। এ পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রীকে উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান।
খাইবার পাখতুন খান রাজ্যের ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নাম বাচা খান বিশ্ববিদ্যালয়। এটি পেশোয়ার থেকে ৫০ কিলোমিটার (৩০ মাইল) দূরে চরসাদ্দা এলাকায় অবস্থিত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফজল রাহেম মারওয়াত বলেন, গোলাগুলি এখনো চলছে। ‘রেসকিউ ১১২২’ নামের একটি সংগঠন জানিয়েছে, হামলায় আহতদের চরসাদ্দার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল ও পুরো শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
খাইবার পাখতুন খানের রাজ্যের সংসদ সদস্য জানান, হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেছে। আর স্থানীয় এমপি ফজল সাকর জানান, সেনাবাহিনী এরই মধ্যে সেখানে পৌঁছেছে এবং তাদের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের বন্দুকযুদ্ধ চলছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল পিটিভিকে জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, তিনজন বন্দুকধারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করেই গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। সেখানে নিরাপত্তাবাহিনীর বড় একটি বহর পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, হামলাকারীরা সংখ্যায় ১৫ জন। আহতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রায় ৩ হাজার ছাত্রছাত্রী আছেন। ঘন কুয়াশার কারণে পুলিশ উদ্ধার তৎপরতা চালাতে হিমশিম খাচ্ছে। মঙ্গলবারই পেশোয়ারে এক জঙ্গি হামলায় সাংবাদিক সহ ১০ জন নিহত হয়। আর গত বছর এই পেশোয়ারেই জঙ্গি হামলায় একটি স্কুলের ১৪০ জন ছাত্রছাত্রী প্রাণ হারায়।






