আলো ছড়িয়েছিলেন ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের হয়ে সদ্য শেষ হওয়া পিএসএলে। পাকিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুতেই সেই ফর্মটা টেনে আনলেন শাদাব খান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রোববার রাতে ৪ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন। টি-টুয়েন্টি অভিষেকে সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ডটি এখন তাই ১৮ বর্ষী লেগস্পিনার শাদাবের।
শাদাবের লেগস্পিন আর গুগলিতে টালমাটাল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। এই জয়ে টানা পাঁচটি টি-টুয়েন্টিতে হেসে মাঠ ছাড়ল পাকিস্তান।
অষ্টম ওভারে অভিষিক্ত শাদাব খানের হাতে বল তুলে দেন অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ। শাদাবের প্রথম বলটি ঠিকমতো খেলতে পারেননি চ্যাডউইক ওয়ালটন। পরে দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে যান এই ক্যারিবীয়। চতুর্থ বলে বোল্ড হয়ে যান লেন্ডন সিমন্স। প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচে নিজের প্রথম ওভারে ১ রানে ২ উইকেট শাদাবের!
নিজের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে আবারও উইকেট পান শাদাব। তাতে ৮ বলে ১ রান দিয়ে ৩ উইকেট ঝুলিতে জমান পাকিস্তানি এই অভিষিক্ত। পরে আরো একটি উইকেট পেতে পারতেন তিনি। তার করা তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে কাইরন পোলার্ডের ক্যাচ ছাড়েন কামরান আকমল। তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারেও রান আটকান শাদাব। ৪ ওভারের কোটা শেষে তাতে ঝুলিতে ৭ রানে ৩ উইকেট।
শাদাব ঘূর্ণিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১১১ রান তোলে ক্যারিবীয়রা। সেটাও পারে কার্লোস ব্র্যাথওয়েটের কল্যাণে। শুরুতে পোলার্ডকে নিয়ে বিপর্যয় সামাল দেন। পোলার্ড দলের ৭৪ রানে আউট হয়ে যাওয়ার পর হোল্ডারকে নিয়ে গড়েন আরেকটি ৩৫ রানের জুটি। নিজে শেষ পর্যন্ত ২৭ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন ব্র্যাথওয়েট।
সল্প পুঁজির লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। একটা সময় ৪৯ রানে হারিয়ে ফেলেছিল ৩ উইকেট। কিন্তু বাবর আজম ও শোয়েব মালিকের ৪৬ রানের জুটিতেই জয় সহজ হয়ে যায়। বাবর ২৯ রান করে আউট হলেও মালিক অপরাজিত ছিলেন ২৯ বলে ৩৮ রানে।
ম্যাচ সেরা হন অভিষেকে ঝলক দেখানো লেগস্পিনার শাদাব খান।






