অস্ট্রেলিয়ার ছোড়া ৫০৬ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে নেমে শুরুতেই হোঁচট ইমাম-উল-হক ও আজহার আলীর উইকেট হারানো। ২১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানের ত্রাতা হলেন বাবর আজম ও আব্দুল্লাহ শফিক। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ১৭১ রানের জুটি লড়াইয়ে টিকে রেখেছে স্বাগতিকদের।
করাচি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সমানে-সমান লড়ছে পাকিস্তান। প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতার পর ওপেনার শফিককে নিয়ে বাবর পার করে দেন চতুর্থ দিন। পঞ্চম দিনে তাদের তুলতে হবে আরও ৩১৪ রান। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার দরকার ৮ উইকেট।
শেষদিনে হার এড়ানোর লক্ষ্যে শতক হাঁকানো বাবর ব্যাট করতে নামবেন ১০২ রানে। তাকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেয়া আব্দুল্লাহ শফিক আছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির অপেক্ষায়। চতুর্থ টেস্ট খেলতে নামা ডানহাতি ব্যাটার শেষদিন শুরু করবেন ৭১ রানে থেকে।
রাওয়ালপিন্ডিতে রানফোয়ারা ছোটানো টেস্টের পর করাচিতেও অস্ট্রেলিয়া দিচ্ছিল একই আভাস। শুরুতে ব্যাট করে স্পোর্টিং পিচে সফরকারীরা তোলে ৫৫৬ রান। কিন্তু পাকিস্তান নামতেই বদলে যায় সব। স্টার্ক-কামিন্সদের কাছে নাস্তানাবুদ পাকিস্তান গুটিয়ে যায় দেড়শ রানের আগেই (১৪৮)।
৪০৮ রানের বড় লিড নিয়ে তৃতীয় দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে নামে অস্ট্রেলিয়া। পাকিস্তানকে ফলোঅন না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে খাজা-লাবুশেন ব্যাট করেন ২২.৩ ওভার। দুজনের ব্যাট থেকেই আসে ৪৪ রান করে।
দুই উইকেট হারিয়ে অজিরা দলীয় ৯৭ রানে ঘোষণা করে দ্বিতীয় ইনিংস। পাকিস্তান জয়ের জন্য পায় ৫০৬ রানের লক্ষ্য।
প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানের ভরাডুবি বড় জয়ের আশা দেখাচ্ছিল অস্ট্রেলিয়াকে। সফরকারীদের সিরিজে এগোনোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন স্বাগতিকদের অধিনায়ক বাবর ও তরুণ ওপেনার শফিক। পাকিস্তানকে জিততে অবশ্য টেস্ট ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানতাড়ার রেকর্ডই গড়তে হবে।








