চতুর্থ দিন সকালে তাসকিন আহমেদের পর দারুণ বল করেছেন নাহিদ রানা। তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে ধসিয়ে দেয়ার শুরুটা করেছেন। তবে শূন্য রানে রিজওয়ান জীবন পাওয়ার পর সালমান আলীকে নিয়ে লিড দেড়শ কাছে নিয়েছেন। সেখানেই হাসান মাহমুদের জোড়া আঘাত, তার পরপর দুই বলে ফিরে গেছেন রিজওয়ান ও মোহাম্মদ আলী।
রিজওয়ান ফিরে গেছেন ৭৩ বলে ৪৩ রানে এবং মোহাম্মদ আলী শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে গেছেন। ৩৭তম ওভারের শেষ দুই বলে উইকেট তোলেন হাসান।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৭ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তুলেছে পাকিস্তান। সপ্তম উইকেটে ৫০ রানের বেশি জুটি গড়ে গেছেন রিজওয়ান।
এদিন বাবর ১১ রান করে ক্যাচ দেন সাদমান ইসলামের হাতে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রানের সময় পঞ্চম ও ৮১ রানের সময় ষষ্ঠ উইকেট হারায় স্বাগতিক দল। রিজওয়ান ও সালমান জুটি গড়ে একশ পার করে নিয়ে গেছেন দলকে।
সকালে রাওয়ালপিন্ডির ২২ গজে থিতু হয়ে যাওয়া ওপেনার সাইম আইয়ুবকে ফিরিয়ে প্রথম সাফল্য এনে দেন তাসকিন আহমেদ। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। সেটির পরপরই শান মাসুদকে ফেরান নাহিদ রানা। দলীয় ফিফটি পেরোতেই আঘাত হানেন নাহিদ। শান মাসুদ আউট হওয়ার আগে করে যান ২৮ রান।
প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ২৭৪ রানের জবাবে লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ২৬২ রান করে বাংলাদেশ। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানো দল আড়াইশ পেরিয়ে বীরত্ব দেখায়।রোববার তৃতীয় দিনের শেষভাগে পরপর দুই ওভারে আব্দুল্লাহ শফিক ও ‘নাইটওয়াচম্যান’ হিসেবে নামা খুররাম শাহজাদকে ফিরিয়ে দেন হাসান মাহমুদ।







