চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে না। সারাদিন জাল বেয়ে দু-তিনটি ইলিশ নিয়ে কিংবা মাঝে মাঝে খালি হাতেই ফিরছেন জেলেরা। এ অবস্থায় জাটকা নিধন প্রতিরোধ কর্মসূচি জোরদারের আহবান জানান বিশেষজ্ঞরা।
জাটকা রক্ষায় মার্চ-এপ্রিল দু মাস অভয়াশ্রম ঘোষণা করায় নদীতে সবধরনের মাছ ধরা বন্ধ ছিলো। এরপর ২৩ দিন পার হলেও ইলিশ মিলছে না নদীতে।
স্থানীয় জেলেরা মাছ না পাওয়া প্রসঙ্গে বলেন, কোনোদিন এক-দুটি ইলিশ মিললেও মাঝে মাঝে আবার খালি হাতেও ফিরতে হচ্ছে নদী থেকে। প্রতিবার মাছ ধরতে গেলে নৌকা খরচ ১২০০-১৩০০ টাকা। তারপরও খাওয়ার খরচ তো আছেই। সব মিলিয়ে জাটকা নিধন প্রতিরোধ মৌসুমে জাটকা ধরার ফলেই এটি ঘটছে বলে অভিযোগ তাদের।
ইলিশের রপ্তানি কেন্দ্র বড় স্টেশন ও নদীর পাড়ের ইলিশের আড়তগুলোতেও মাছের সরবরাহ কম থাকায় ক্রেতাও কম।
অন্যান্য মৌসুমে এই সময়ে ভালো মাছের সরবরাহ থাকলেও এবার মাছের আমদানী কম। যে কারনে ক্রেতাও কম বলে জানান স্থানীয় আড়ত মালিকরা। নদীতে মাছ না থাকায় অর্থনৈতিক কষ্টে আছেন জেলেরাও।
জাটকা নিধন প্রতিরোধ কর্মসূচি জোরদার এবং নদীর ডুবোচরগুলো খনন না করলে নদীতে আশানুরূপ ইলিশ পাওয়া যাবে না বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।
মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানা, প্রাকৃতিক ভাবেই বছরের এই সময়ে ইলিশের প্রাচুর্যতা কমে যায়। আর এই সময়ে যদি সঠিক মাত্রায় বৃষ্টি না হয় তাহলে সামনে ইলিশের পরিমাণ কমে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।







