নিউজিল্যান্ড থেকে আরিফ চৌধুরী: নেপিয়ারে বাংলাদেশ দলের হোটেলটা একেবারে সাগরের তীর ঘেষে। মেরিন প্যারেডের ‘তে পানিয়া সেনিক’ হোটেল থেকে বের হলেই হক’স বে সমুদ্র সৈকত। দু চোখ ভরে শুধুই নীল জলরাশি দেখার অপূর্ব সুযোগ। ছিমছাম এ শহরের শেষ বিকেলটা যে কোন মানুষকেই করে তুলবে রোম্যান্টিক। আপন মনে কেউ কেউ হয়ে উঠবেন কবি।
কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের মিডিয়া ব্রিফিং শেষ করে শুধু এক নজর দেখেছি দূর থেকে। মাথায় কাজের চাপ একাধিক রিপোর্ট পাঠাতে হবে অফিসে। তাই ঠিক করলাম আজ নয়, আরও দুদিন তো সময় আছে হাতে। মন ভরে দেখা যাবে নেপিয়ারের সৌন্দর্য।
ফিরতে ফিরতে ঠিক টিম হোটেলের গেটে এসে চোখ আটকে গেলো। ছাই রংঙ্গের টি-শার্ট আর খোচা খোচা দাড়ির পরও স্পষ্টই চেনা যাচ্ছিলো সাবেক হয়ে যাওয়া এক ক্রিকেট তারকাকে। এগিয়ে গিয়ে বললাম, আপনি রোকন ভাই না? সঙ্গে সঙ্গে হাসি দিয়েই বললেন, আমি রোকন।
বাংলাদেশ দলের হোটেলেই ঢুকছিলেন। কথায় কথায় জানালেন, তাকে সঙ্গে করেই এখানকার প্রবাসীরা টিম-টাইগার্সকে স্বাগত জানাতে এসেছেন। ফুলের তোড়া আর মিষ্টিও নিয়ে এসেছেন তারা। এগুলো গ্রহণ করতে অধিনায়কের পক্ষ থেকে হোটেলের গেটে এসেছেন সাব্বির রহমান রোম্মান, ইমরুল কায়েস, রুবেল হোসেন এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। রিপোর্টের জন্য প্রবাসীদের ক্ষুদ্র অথচ অনেক বেশি আবেগী এই ফুলেল সংবর্ধনার ফুটেজ সংগ্রহের সময় বারবার ক্যামেরা ফ্রেমের বাইরেই থেকেছেন আল শাহরিয়ার রোকন। কোন কারণে মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে চাইছেন জাতীয় দলের সাবেক এ ব্যাটসম্যান।
অবশ্য ব্যস্ততার কারণে বেশি কথা বলতে পারেন নি। তবে কথা দিয়েছেন আগামীকাল ম্যাকলিন পার্কে আসবেন। কথা বলবেন মিডিয়ার সঙ্গে। আর মাঠ থেকেই অনুপ্রেরণা হবেন অনুজদের।
প্রায় সাত বছর ধরে স্থায়ীভাবে নিউজিল্যান্ডে বসবাস করছেন আল শাহরিয়ার রোকন। টুকটাক ব্যবসা করার পাশাপশি স্থানীয়ভাবে ক্রিকেট কোচিংও শুরু করেছেন। পরিবার নিয়েই আছেন এ শহরে।








