একের পর এক আসামিকে ডান্ডাবেড়ি পরানোর খবর সামনে আসায় হাইকোর্ট বলেছেন, ‘একটা নীতিমালা করে দেব, মানুষকে রক্ষা করতে হবে।’
‘বাবার জানাজায় ডান্ডাবেড়ি পায়ে ছাত্রদলের নেতা’র বিষয়ে করা রিটের শুনানিতে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই মন্তব্য করেন।
এসময় আদালত বলেন, ‘আমরা শুধু রুল দিয়ে পত্রিকায় নাম উঠিয়ে বাহবা কুড়াতে চাই না। এক্ষেত্রে একটা নীতিমালা করে দেব, মানুষকে রক্ষা করতে হবে।’
আদালতে আজ রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সম্প্রতি ডান্ডাবেড়ি পরানোর একাধিক সংবাদ আদালতের সামনে আনেন। একপর্যায়ে আদালত এ বিষয়টি শুনানির জন্য ১১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন। তবে রিটকারি পক্ষের আইনজীবী আপাতত একটা আদেশ চাইলে হাইকোর্ট বাবার জানাজায় ছাত্রদলের নেতা’র ডান্ডাবেড়ি পরানো প্রশ্নে রুল জারি করেন। সেই সাথে ২০২২ সালে জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী শীর্ষ সন্ত্রাসী, দুর্ধর্ষ, জঙ্গীদের ক্ষেত্রে ডান্ডাবেড়ি পরানোর বিষয়টি মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আজ শুনানিতে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. মাকসুদ উল্লাহ। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
ছাত্রদল নেতা মো. নাজমুলের বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, প্যারোলে মুক্তি পেয়ে ডান্ডাবেড়ি পরা অবস্থায় বাবার জানাজায় অংশ নেন ছাত্রদল নেতা মো. নাজমুল মৃধা। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী গ্রামে ওই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার সময় নাজমুলের হাতকড়া খুলে দেওয়া হলেও খোলা হয়নি পায়ের ডান্ডাবেড়ি। মো. নাজমুল মৃধা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। জানাজা শেষে তাঁকে আবার পটুয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠায় পুলিশ।







