দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে মার্কিন প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। মন্ত্রী বলেছেন, দেশের সকল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। এভিয়েশন সিকিউরিটিতে যে সমস্যাগুলো ছিলো তা চিহ্নিত করে পুরোপুরি উত্তরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে দুপুরে মার্কিন কংগ্রেসম্যান ফ্রাঙ্ক লোবিয়নডোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে। ওই বৈঠকে পুলিশ মহাপরিদর্শক, র্যাব-এর ডিজি ছাড়াও শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে বিমান বন্দরের নিরাপত্তা জোরদার,বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপত্তা, জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলাসহ দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগীতা বিনিময় নিয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগের যেকোন সময়ের তুলনায় এয়ারপোর্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি কূটনৈতিক পাড়া এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এসম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন,‘ মার্কিন কংগ্রেসম্যান এবং মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কাছে এভিয়েশন এবং সন্ত্রাস দমনে আমাদের গোয়েন্দা বাহিনী এবং নিরাপত্তাবাহিনীর সক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছে। এয়ারপোর্টে নিরাপত্তাত্রুটিগুলো সমাধান করা হয়েছে। ডগস্কোয়াড থেকে শুরু করে যা যা প্রয়োজন সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তাদের কথা মেনে সিভিল এভিয়েশনে একজন বিদেশী পরামর্শক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের অনুরোধ মেনে কূটনৈতিক পাড়ায় নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। সরকারের নেয়া পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান ’।
বৈঠকের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ১০টি সংস্থা ও দপ্তরের সঙ্গে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি সই হয়।







