রাজধানীর ধানমণ্ডিতে গাছের নিচে চাপা পড়ে চিত্রশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক খালিদ মাহমুদ মিঠুর মৃত্যুতে শোকের সাথে বিস্ময় প্রকাশ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান আর রাজী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। অন্যান্যদের সাথে খালিদ মাহমুদের একটি ছবিও তার স্ট্যাটাসের সাথে দিয়েছেন আর রাজী।
আর রাজী লিখেন, মাথার ওপর আকাশ ভেঙে পড়ার মতোই সংবাদটা। এই ছবিটি আমার বড়বোন নাসরীন খন্দকারের ফেসবুক ওয়াল থেকে নেওয়া। মাস তিনেক আগে এই ছবিটিতেই আমি সর্বশেষ মিঠুভাইকে মনোযোগ দিয়ে দেখি। আমার বোনের পারিবারিক-বন্ধু খালিদ মাহমুদ মিঠু-কনকচাঁপা চাকমা দম্পতি। সেই সূত্রে আমি তাদের নিয়ে একটু বেশিই আগ্রহী থাকি।
তিনি লিখেন, আমার বোন ছবিটি যখন ফেসবুকে পোস্ট করে আমি মিঠুভাইয়ের দৈহিক গড়ন খুব খেয়াল করে দেখছিলাম। এত দীর্ঘদেহী, সুঠাম একজন মানুষ! আজ যখন নিশ্চিত হলাম গাছ চাপা পড়ে উনি মারা গেছেন আমার চোখে এই ছবির দীর্ঘদেহী মিঠুভাই ভেসে উঠল।
এধরনের মৃত্যুতে বিস্ময়মিশ্রিত দুঃখ প্রকাশ করে চবি’র সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান লিখেন, এই মানুষ গাছের নিচে চাপা পড়ে মরে গেল! ‘জোনাকীর আলো’ নিভে গেল! ‘গহীনে শব্দ’ লীন হয়ে গেল! এভাবে মৃত্যুও সম্ভব!
তিনি লিখেন, আমার দুলাভাইয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধুটি যেন চলে যাবেন বলেই অমন করে একপাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন! হায় মৃত্যু! বধির মৃত্যু! ছোট্ট শিরোপা, আর্য, কিভাবে মেনে নেবে এই অদ্ভুত মৃত্যু?
কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে আর রাজী লিখেন, আক্ষরিক অর্থেই ওই গাছটির মতোই আমাদের সব কর্তৃপক্ষের কোমড়ে ঘুন ধরে আছে। কে কোথায় কিসে কিভাবে চাপা পড়ে মরবে কে জানে? এ সব মৃত্যুর দায় নিশ্চয়ই আমাদের কোন কর্তৃপক্ষের নয়?






