‘কাল রাতে আমাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে।’ হাসছেন নিরব।
ফাঁসি হবে, আর আপনি হাসছেন?
‘আমার কিন্তু একটুও ভয় করছে না। বরং ওই সময়টার জন্যই আমি অপেক্ষা করছি।’
আপনার অপরাধ?
‘এখনো জানিনা।’
বলেন কী?
‘হ্যাঁ, তাহলে শুনুন বলছি, কাল আমার “হৃদয় জুড়ে” ছবির শুটিং শুরু হচ্ছে।’
কথা হচ্ছে নিরবের সঙ্গে। গতকাল সোমবার রাতে এফডিসিতে গিয়ে দেখা গেল, মান্না ডিজিটাল ল্যাব ভবনের সামনে সাউন্ড এডিটিং ভবনের পাশের সীমানা প্রাচিরের গা ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে ফাঁসির মঞ্চ। আজ সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গেই সেই মঞ্চে তোলা হবে নিরবকে। ফাঁসি কার্যকর করা হবে তার। আর ফাঁসি পাশে বসে দেখার জন্য আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় এসেছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার, ভারতের বাংলা ছবির নায়িকা।
‘হৃদয় জুড়ে’ ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন এবং পরিচালনা করছেন রফিক সিকদার। তিনি বললেন, ‘আমার নতুন ছবির শুটিং শুরু হচ্ছে।’
নিরবের অপরাধ কী? তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে কেন?
রফিক সিকদারের মুখে হাসির রেখা। বললেন, ‘এটা আমার ছবির শেষ দৃশ্য। শেষ দৃশ্য দিয়েই ছবির কাজ শুরু করছি। নিরবকে ফাঁসিতে ঝুলতে দেখা যাবে। এক গভীর প্রেমের সমাপ্তি হবে ফাঁসির মঞ্চে। আর ফাঁসির কারণ জানতে হলে দর্শককে ছবিটির মুক্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’
জানালেন, ফাঁসির দৃশ্যকে বাস্তবসম্মত করে তোলার জন্য যা যা দরকার, সবই করা হবে।








