সবশেষ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হয়নি বাংলাদেশের। নিরাপত্তার দোহাই দেখিয়ে তৎকালীন সরকার বাংলাদেশ দলকে ভারতে যেতে অনুমতি দেয়নি। ভেন্যু পরিবর্তনের জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করলেও তা আর হয়নি। লম্বা সময় পর টি-টুয়েন্টিতে নামছে টিম টাইগার্স। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের সিরিজ সামনে রেখে অতীতের ঘটনা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে শুরু করার প্রত্যাশা লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। সেই সঙ্গে বেঞ্চের শক্তি বাড়ানোর প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যাবহার করতে টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটকে আদর্শ বলছেন টাইগাদের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে আগামী ২৭ এপ্রিল গড়াবে সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি। ২৯ এপ্রিল একই ভেন্যুতে গড়াবে দ্বিতীয় ম্যাচ। এরপর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ টি-টুয়েন্টিতে নামবে দুদল। সিরিজ শুরুর দুদিন আগে শনিবার চট্টগ্রামে বাংলাদেশের অনুশীলনের আগে সংবাদ সম্মেলনে আসেন মুশতাক আহমেদ। জানালেন, সাদা বলের স্কোয়াডকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনায় এগোচ্ছেন তারা।
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি পরিকল্পনা খুব সহজ। আপনাকে সাদা বলের ক্রিকেটকে শক্তিশালী করতে হবে। সাদা বলের ক্রিকেট বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে অনেক আত্মবিশ্বাস যোগায়। টি-টুয়েন্টি ফরম্যাটে বেশ কিছু ভালো সংযোজন হয়েছে যেমন সাকলাইন, রিপন এবং বাকিরা। নতুন ছেলেরা আসছে। একই সাথে ম্যাচ জেতা এবং নিজেদের বেঞ্চ স্ট্রেন্থ তৈরি করা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য।’
বাংলাদেশ ক্রিকেট সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে মনে করছেন মুশতাক। বলেছেন, যেহেতু সামনে কোনো টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ নেই, তাই একই সাথে আপনি ৫০ ওভারের জন্য খেলোয়াড় তৈরি করতে পারেন। যেমন সাকলাইন বা বাকি তরুণরা যারা আসছে- তারা যদি এখানে ভালো পারফর্ম করতে পারে, সেই আত্মবিশ্বাস তাদের ৫০ ওভারেও ভালো খেলতে সাহায্য করবে। তাই টি-টুয়েন্টি হল একটি দল এবং শক্তিশালী বেঞ্চের শক্তি তৈরির জন্য আদর্শ প্ল্যাটফর্ম।








