মুশফিকুর রহিমদের খুলনা টাইগার্সকে ১২১ রানে অলআউট করার পরে রান তাড়া করে ১১ বল বাকি ও ৬ উইকেট হাতে রেখে সহজ এক জয় দিয়ে সবার আগে শেষ চার নিশ্চিত করলো ইমরুল কায়েসের দল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।
পয়েন্ট টেবিলের নীচের দিক থেকে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ও রংপুর রেঞ্জার্স উঠে আসায় একটু আগেভাগে পয়েন্ট টেবিলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার সুযোগ ছিল খুলনা টাইগার্সের। কিন্তু বোলিং-ব্যাটিংয়ে একতরফা আধিপত্য দেখানো চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স তা হতে দিলো না।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার দিনের প্রথম খেলায় আগে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামের পেসারদের তোপ সামলাতে না পেরেই বিধ্বস্ত হয় খুলনার ব্যাটিং লাইনআপ। দেশীয় দুই পেসার রুবেল হোসেন ও মেহেদী হাসান রানা শিকার করেছেন প্রতিপক্ষের ছয় ব্যাটসম্যানকে। ১৭ রানে রুবেল ৩টি ও ২৯ রান খরচায় মেহেদীও পেয়েছেন সমান ৩ উইকেট। ক্যারিবীয় পেসার কেসরিক উইলিয়ামস পকেটে পুরেছেন ২ উইকেট।
খুলনার যা লড়ার একাই যেন লড়েছেন রাইলি রুশো। ৪০ বলে ৪৮ করে উইলিয়ামসের বলে বোল্ড হয়েছেন এ প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। মুশফিকও খানিকটা চেষ্টা করেছিলেন, জিয়াউর রহমানের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ২৪ বলে করে গেছেন ২৯।
জবাবে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার লিন্ডন সিমন্স ও জুনায়েদ সিদ্দিকীর ৬৯ রানের জুটিতেই সব সম্ভাবনা শেষ খুলনার। ৩৬ করে সিমন্স ও ৩৮ রানে জুনায়েদ আউট হলেও ৩০ রানের অপরাজিত ইনিংসে দলকে জিতিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন অধিনায়ক ইমরুল কায়েস।
১০ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করে অন্তত এলিমিনেটর নিশ্চিত হয়েছে চট্টগ্রামের। সমান সংখ্যক ৯টি করে ম্যাচ খেলে সমান ১২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই ও তিনে যথাক্রমে অবস্থান ঢাকা এবং রাজশাহীর। পরের তিন ম্যাচে একটি জয় পেলেই শেষ চার নিশ্চিত করবে ওই দুটি দলও, সেক্ষেত্রে বিপদে পড়তে পারে খুলনা।
চট্টগ্রামের কাছে হেরে ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্টে আপাতত চারে খুলনা। শেষ চারে যেতে হলে বাকি তিন ম্যাচে অন্তত দুই ম্যাচে জয় পাওয়া দরকার টাইগার্সদের। সেই তিন ম্যাচের দুটিতেই যদি হেরে যান মুশফিকরা আর পাঁচে ও ছয়ে থাকা কুমিল্লা-রংপুর নিজেদের বাকি ম্যাচগুলোতে জয় পায় তাহলে পয়েন্ট ও রানরেটের ফারাক নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে খুলনা।








