বাঁচা-মরার লড়াই। এরমাঝে বেরসিক বৃষ্টি এসে দিচ্ছিল বাগড়া। টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কাও। শেষপর্যন্ত মাঠে নামতে পেরেছে ইংল্যান্ড। টি-টেন হয়ে যাওয়া ম্যাচে নামিবিয়াকে হারিয়েছে বড় ব্যবধানে। সঙ্গে বিশ্বকাপের সুপার এইটের রাস্তা ধরে রেখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি। তবে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার দিকে। অজিরা সকালে স্কটল্যান্ডকে হারানোর উপর নির্ভর করছে ইংল্যান্ডের সেরা আটে খেলা।
এই গ্রুপে চার ম্যাচ খেলে ফেলা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৫, রানরেট ভালো (৩.৬১১)। স্কটল্যান্ডেরও ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ৫, তারা ভোরে মুখোমুখি হচ্ছে অজিদের। সুপার এইট আগেই নিশ্চিত করে ফেলা অস্ট্রেলিয়ার ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ৬।
অ্যান্টিগায় হিসাব জটিল হয়ে ওঠা ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে নামিবিয়াকে ৪১ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। ম্যাচে পয়েন্ট ভাগাভাগি হলে ইংলিশদের বিশ্বকাপ যাত্রা থেমে যেত। খেলা গড়িয়েছে ঘণ্টা তিনেক পর।
স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে বৃষ্টিতে শেষপর্যন্ত ১০ বাই ১০ ওভারের খেলা হয়েছে। শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৫ উইকেটে ১২২ রান তোলে ইংল্যান্ড। নামিবিয়ার সামনে বৃষ্টি আইনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৬ রানের। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেটে ৮৪ পর্যন্ত যেতে পারে নামিবিয়া।
বেয়ারস্টো ৩ চার ও ২ ছয়ে ১৮ বলে ৩১ করে ভিত গড়ে দেন। ম্যাচসেরা ব্রুক ৪ চার ও ২ ছয়ে ২০ বলে অপরাজিত ৪৭ করে সেটাকে পূর্ণতা দেন। শেষদিকে মঈন ৬ বলে ২ ছয়ে ১৬ ও লিভিংস্টোন ৪ বলে ১৩ করলে রানরেট বাড়ানোর মতো পরিস্থিতি পায় ইংল্যান্ড।
নেমে ভন লিনজেনের ৩৩, নিকোলাসের ১৮ ও ওয়াইজের ১২ বলে ২৭ রানেও লড়াই জমাতে পারেনি নামিবিয়া।
আর্চার ও জর্ডান একটি করে উইকেট নেন। টাইট বোলিংয়ের দিনে টপলে ২ ওভারে ৬ রান দেন, কারেন দেন ২ ওভারে ১৩ রান।







