নারায়ণগঞ্জের ৭ খুনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ২৬ আসামীকে নারায়ণগঞ্জ ও কাসিমপুর কারাগারের হাই-সিকিউরিটি জােনে রাখা হয়েছে। রাতেই তাদের কনডেম সেলে নেয়া হয়। তাদেরকে এখন নিঃসঙ্গ সেলেই থাকতে হবে।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাসিমপুর-১ ও কাসিমপুর-২ কারাগারে আছে ফাঁসির দণ্ড পাওয়া বেশিরভাগ আসামী।
ডিআইজি (প্রিজন) তৌহিদুল ইসলাম চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন, আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার পর মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সব আসামী কনডেম সেলে আছে।
সোমবার ৭ খুনের ঘটনায় দু’টি মামলায় প্রধান আসামি নূর হোসেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) তারেক সাঈদ, মেজর (বরখাস্ত) আরিফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (বরখাস্ত) এম এম রানাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং যাবজ্জীবনসহ ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়।
নূর হোসেন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) তারেক সাঈদকে কাসিমপুর কারাগার ১-এ আলাদা আলাদা কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল বিকেলে অপহৃত হয়েছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জন। তিন দিন পর তাদের মরদেহ পাওয়া যায় শীতলক্ষ্যা নদীর শান্তির চর এলাকায়।
সাত খুন মামলার সাজাপ্রাপ্ত র্যাব সদস্যদের মধ্যে ১৭ জন কারাগারে আছে। চাকরিচ্যুত তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, আরিফ হোসেন ও এম এম রানা ছাড়া অন্যরা হচ্ছে: হাবিলদার এমদাদুল হক, আরওজি-১ আরিফ হোসেন, ল্যান্স নায়েক হীরা মিয়া, ল্যান্স নায়েক বেলাল হোসেন, সিপাহি আবু তৈয়ব, কনস্টেবল মো. শিহাব উদ্দিন, এসআই পূর্ণেন্দ বালা, করপোরাল রুহুল আমিন, এএসআই বজলুর রহমান, হাবিলদার নাসির উদ্দিন, এএসআই আবুল কালাম আজাদ, সৈনিক নুরুজ্জামান, কনস্টেবল বাবুল হাসান ও সৈনিক আসাদুজ্জামান নূর। তারা সবাই নিজ নিজ বাহিনী থেকে চাকুরিচ্যুত।
আর পলাতক আটজন হচ্ছে: করপোরাল মোখলেছুর রহমান, সৈনিক আবদুল আলীম, সৈনিক মহিউদ্দিন মুনশি, সৈনিক আল আমিন, সৈনিক তাজুল ইসলাম, সার্জেন্ট এনামুল কবীর, এএসআই কামাল হোসেন, কনস্টেবল হাবিবুর রহমান। এরাও সবাই চাকুরি থেকে বরখাস্ত হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ২৬ জনের মধ্যে ১৬ জন সাবেক র্যাব সদস্য।







