বাংলাদেশ

রাজধানীতে ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

রাজধানীতে ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা ও যানজট সৃষ্টি. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী জুড়ে সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষেরা।

শুক্রবার ১০ জুলাই ভোর ৬টার পর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

বৃষ্টিতে প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে সড়কে যান চলাচল তুলনামূলক কম ছিল। তাছাড়া রিকশা, সিএনজি পেতেও ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। রিকশা বা সিএনজি পেলেও ভাড়া স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি  ছিল বলেন জানান যাত্রীরা।

এদিকে শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় রাজধানীতে কর্মজীবী মানুষের ভিড় তুলনামূলক কম থাকলেও সাধারণ যাত্রীরা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বৃষ্টিতে ভিজেই। কেউ কেউ ছাতা নিয়েও ভারী বর্ষণ আর বাতাসের কারণে পুরোপুরি ভিজে যান। তাছাড়া বৃষ্টি থেকে বাঁচতে অসংখ্য মানুষকে দোকানের ছাউনি, ফুটওভার ব্রিজ কিংবা বিভিন্ন ভবনের নিচে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।

রাজধানীর উত্তরা, এয়ারপোর্ট, বনানী,  মগবাজার, নিউ মার্কেট, ধানমন্ডি-২৭, আজিমপুর, নাজিরাবাজার ও বকশীবাজারসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় পানি জমেছে।  শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কালশী, বাড্ডা, মিরপুর, মগবাজার, শান্তিনগর, গ্রিন রোড এবং কারওয়ান বাজারের রাস্তাঘাট ও গলিগুলো জলাবদ্ধতা দেখা গেছে।

মগবাজারের বাসিন্দা তাসনীম জানান, “প্রতি বর্ষায় একই অবস্থা হয়। আজকের বৃষ্টির পর মূল সড়কে পৌঁছানোর জন্য আমাকে পানি ভেঙে যেতে হয়েছে। রাস্তায় পানি জমে থাকায় গর্ত বা খোলা ম্যানহোল কোথায় আছে তা বোঝা অসম্ভব হয়ে পড়ে।”

উত্তরা থেকে বনানীগামী যাত্রী সাবরিনা জানান, “ আজ শুক্রবারেও আমার অফিস খোলা রয়েছে। এদিকে সকাল থেকেই বৃষ্টির কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বাস স্টপে অপেক্ষা করতে হয়েছে। বৃষ্টির কারণে খুব কম বাস ছিল এবং রাস্তাঘাট জলমগ্ন থাকায় যান চলাচল ধীর ছিল। প্রত্যেক ভারী বর্ষণের পর আমাদের একই দুর্ভোগ পোহাতে হয়, কিন্তু অবস্থার কোনো স্থায়ী উন্নতি হয়নি।”

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃষ্টি কম-বেশি এ মাসে থাকবে। তবে এখনকার ভারী বৃষ্টি রোববার ১২ জুলাই পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।

বিষয়:জনজীবন বিপর্যস্ত তুমুল বৃষ্টি রাজধানী

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…