নারীর প্রতি সহিংসতা কমেছে তবে নির্যাতনের শিকার নারীরা আইনী সহায়তা পান না বললেই চলে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১১ সালের সঙ্গে তুলনা করে ২০১৫ সালের রিপোর্টে বলা হয়েছে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই নির্যাতনের শিকার নারীরা কাউকে ঘটনা জানাতে চান না।
নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অর্জন অসামান্য। সম্প্রতি সময়ে প্রায় প্রতি বছরই জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ জন্য নানা পুরস্কার পাচ্ছেন। এখানে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেত্রী, স্পিকার এমনকি বড় দল বিএনপি চেয়ারপার্সনও একজন নারী। তারপরও নারী নির্যতানের ঘটনা ঘটে চলেছে। এ অবস্থায় নারী নির্যাতন নিয়ে আলাদা জরিপ করতে হচ্ছে সরকারকে। তবে সুখের কথা ২০১১ সালের তুলনায় অবস্থার কিছুটা উন্নতি ঘটেছে।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারাজানা আফরোজ চুমকি বলেন,‘বাস্তবতা বলছে দেশে নারী নির্যাতনের পরিমাণ ১২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।’
নারীর প্রতি সহিংসতার হার কমায় প্রশংসা পেয়েছে বাংলাদেশ, তবে উন্নয়ন সহযোগীরা সতর্ক করেছেন, নারী ও শিশুরা যাতে জঙ্গিদের লক্ষ্য না হয়। ইইউ রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদু ও ইউএনএফপিএ প্রতিনিধি আর্জেন্টিনা পিচ্চিন এসব ব্যাপারে কথা বলেন সেমিনারে।
নারী-পুরুষ সমান সুযোগ পাওয়ার পরও নারীর প্রতি সহিংসতা নিয়ে জরিপ করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ছিলো পরিকল্পনা মন্ত্রীর।
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন,‘অনেক নারী আছেন যারা নির্যাতনের শিকার হয়েও অনেক সময় বলতে চান না। নির্যাতনকারী স্বামী হলেও অনেক সময় পরিবার টেকাতে স্ত্রী তা প্রকাশ করে না। কিন্তু সরকার নারী নির্যাতন রোধে আন্তরিকভাবে কাজ করছে’।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, নির্যাতনের শিকার হলে আইনী সহায়তার জন্য চালু হওয়া ১০৯২১ হটলাইন সম্পর্কে জানেন মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ।








