নাটোরে দিন দিন মৎস্য চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে । স্থানীয় মৎস্য বিভাগের পরামর্শে এবং মৎস্য চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে চাহিদার তুলনায় বেশি মাছ উৎপাদন হচ্ছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে নাটোরের মাছ।
নাটোরের ২০ হাজার ৯শ’ ৬৯টি সরকারি ও বেসরকারি পুকুরে মাছ চাষ হচ্ছে। ব্যবহার হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। উৎপাদিত মাছ জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় আমিষের যোগান দিচ্ছে।
মাছ চাষীরা জানান, তাদের উৎপাদিত মাছ ঢাকা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালিসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। এ মাছে কোনো ফরমালিন নেই। মাছের খাদ্যেও নেই মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদান। নাটোরের মাছের সুনাম এখন দেশব্যাপী।
পুকুর মালিকরা জানান, তারা নিজেরা মাছ চাষ না করলেও মাছ চাষের জন্য বাৎসরিক ভিত্তিতে পুকুর লিজ দিয়ে তারা মোটা অংকের টাকা পাচ্ছেন।
পুকুর মালিক দুলাল সরকার বলেন, আগে মাত্র দুটো ছোট পুকুর ছিলো তার। আর এখন চল্লিশ বিঘা জায়গা নিয়ে বড় পুকুর করেছেন তিনি। এটা অনুরসরণ করে আরও অনেকেই পুকুর করছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, ১৮ হাজার মাছ চাষী বছরে ৩৮ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন করছেন। জেলায় মাছের চাহিদা ৩২ হাজার মেট্রিক টন।
নাটোরের মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি ও পদ্ধতি বিষয়ে চাষীদের অবহিত করা হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে চাষীদের সহায়তা দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন অনেক মানুষ। পৃষ্ঠপোষকতা ও সার্বিক সহায়তা পেলে মাছ চাষ আরো বাড়বে বলে মনে করছেন এ অঞ্চলের মাছ চাষীরা।







