নাটোরে পাট কেটে আঁশ ছাড়িয়ে ঘরে তুলতে এখনো অনেক দিন বাকী। কিন্তু এবার অতিবৃষ্টিতে চলনবিল ও হালতিবিলের নীচু এলাকায় পাট ক্ষেতে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাটের গোড়া পচে যাওয়ার আশঙ্কায় অপুষ্ট পাট কেটে ফেলেছেন বেশীরভাগ চাষীর। নাটোরের এক পাট চাষী বলেন, পাটের গোড়া নষ্ট হবার কারণে ফলন কম আসবে, এজন্য অপুষ্ট পাট কেটে ফেলতে হচ্ছে। অতি খরা, পাট জাগ দেয়ার সমস্যা আর ভালো দাম না পাওয়ায়, গত কয়েক বছর ধরে পাট চাষে আগ্রহ কমে গেছে চাষীদের। স্থানীয় এক পাট চাষী বলেন, এখন পাটের দাম ১৪শ ১৫শ টাকা মণ, এ দামে পাট বিক্রি করে আমাদের লাভ হবে না।
আরেকজন পাট চাষী বলেন, অতি বৃষ্টির কারণে ধান হচ্ছে না। এখন যদি পাট বিক্রি করে টাকা না পাই, তবে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।
নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডক্টর আলহাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ বছর বৃষ্টি বাদলার কারণে পানি কিছুটা আগাম আসার কারণে নিচু এলাকার কৃষকরা আগাম পাট কেটে ফেলছেন। তাতে তাদের ফলন তারা বিঘা প্রতি ছয় থেকে সাত মণ পাট পাচ্ছে। যদিও পাট কাটার মৌসুম পুরোপুরিভাবে শুরু হয় নাই। আমরা যা দেখেছি গতবারের তুলনায় এবার পাটের ফলন ভাল হবে।এই অবস্থায় পাট চাষে ব্যাপক লোকসানের আশঙ্কা পাট চাষীদের। তবুও এ বছর ১৫ হাজার আটশো’৭০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। যা থেকে এক লাখ সাতশো’ ৫৫ বেল পাট উৎপাদনের আশা করছে কৃষি বিভাগ।






