জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমউদ্দিন আহমেদ সামাদ হত্যাকারীদের শনাক্তে পুলিশের চার বাহিনী এক সাথে কাজ করছে। শিগগিরই রহস্যের দ্বার উন্মোচন হবে বলে আশা করছে পুলিশ। নাজিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ যাচাই-বাছাই চলছে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সের ছাত্র ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমউদ্দিন আহমেদ সামাদ হত্যাকাণ্ডের পর তিন দিন পার হয়েছে।ওই ঘটনায় নাজিমের ফেসবুকে লেখা মন্তব্যগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। গত তিন দিনে নাজিমের বন্ধুসহ অন্তত ২০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
নাজিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে দুটি ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে যাচাই বাছাই চলছে। এখন চেষ্টা চলছে কাছের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহের। ডিএমপি ওয়ারি জোনের সিনিয়র এসিসটেন্ট কমিশনার মো. নূরুল আমিন বলেন, নির্দিষ্টভাবে এই বিষয়টা নিয়ে বলতে পারবো না আমরা, এই এজেন্ডা নিয়ে এগুচ্ছি বা এরাই খুন করেছে সেটা হানড্রেট পারসেন্ট বলা যাবে না। তবে আমরা সম্ভাব্য যতগুলো দিক ধরে এগুচ্ছি তার মধ্যে ফেসবুকের বিষয়টা অন্যতম। এসব বিষয় আমরা অত্যান্ত গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।
ওই ঘটনায় দ্রুত হত্যাকারীদের শনাক্তে পুলিশের পাশাপাশি তদন্ত করছে ডিবি, সিআইডি এবং পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন। তিনি আরো বলেন, এ ধরণের জঘন্যতম অপরাধ ঘটে তখন পুলিশের সব তদন্তকারী ইউনিট এক সাথে কাজ করে।
নাজিমের গ্রামের বাড়ি সিলেটেও শিগগিরই তদন্ত দল পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে সূত্রাপুর থানা পুলিশ।










