চীনে গত মার্চ মাসে আটক আট নর্থ কোরিয়ার নাগরিকদের অবস্থান অবিলম্বে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
মানবাধিকার সংস্থাটির আশঙ্কা এই আটক নাগরিকদের নর্থ কোরিয়ার কাছে হস্তান্তর করলে তাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হবে।
অধিকাংশ নর্থ কোরিয় শরণার্থী সীমান্ত পেরিয়ে চীনে প্রবেশ করে এবং অন্য কোন দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এরা প্রায়ই দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে চলে যায়। সেখান থেকে তারা সাউথ কোরিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চায়।
তবে পালিয়ে যাওয়া এই সব শরণার্থী ধরা পড়ার পর তাদেরকে নর্থ কোরিয়ার কাছে হস্তান্তর করলে তাদের কঠিন শাস্তি দেয়া হয়।
চীন নিয়মিতভাবেই নর্থ কোরিয়ার এই সব শরণার্থীকে অবৈধ ‘অর্থনৈতিক অভিবাসী’ হিসেবে অভিহিত করে। চীন ১৯৮৬ সালে গৃহীত সীমান্ত প্রটোকলের ওপর ভিত্তি করে তাদেরকে নর্থ কোরিয়ার কাছে ফিরিয়ে দেয়।
নর্থ কোরিয়ার শরণার্থীর এ দলটিতে অন্তত চারজন নারী রয়েছে। এরা মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শেনইয়াংয়ে ধরা পড়ে।
সোমবার হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া বিষয়ক উপ-পরিচালক ফিল রবার্টসন বলেন, ‘এখন যদি তাদেরকে জোরপূর্বক নর্থ কোরিয়ায় পাঠিয়ে দেয়া হয়, তবে তাদের জীবন ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।’
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আরও জানিয়েছে, বিগত নয় মাসে চীন শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ ৪০ জনের বেশি নর্থ কোরিয়ার নাগরিককে আটক করেছে। এদের মধ্যে অন্তত নয় জনকে জোরপূর্বক নর্থ কোরিয়ায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।







