কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার কারনে নর্থ কোরিয়া ক্ষেপনাস্ত্র ও পারমানবিক পরীক্ষা চালাতে পারে, এমন আশঙ্কা করে চীনের দেয়া পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে নর্থ কোরিয়ার চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র উৎক্ষেপনের পর যুক্তরাষ্ট্র সাউথ কোরিয়ায় মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন শুরু করে।
এর পরপরই সব পক্ষের সামরিক তৎপরতা বন্ধের মাধ্যমে আলোচনার প্রথম ধাপ এবং শঙ্কা কমাতে পারে বলে পরামর্শ দেয় চীন।
বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সৈন্যরা সাউথ কোরিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে বড় ধরনের অনুশীলন করছে। যা উত্তর কোরিয়াকে আরো ক্ষিপ্ত করে তুলছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ওয়াংই এ বিষয়টিকে ‘দুটি দ্রতগামী ট্রেনের মুখোমুখী অবস্থান, সেখানে কারো পথ ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছে নেই’ বলে উল্লেখ করেছেন।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মুখপাত্র মার্ক টোনার একে ‘আপেল এবং কমলার সাথে তুলনা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সাউথ কোরিয়ার সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার শর্ত অনুযায়ী কাজ করছি। একে নর্থ কোরিয়ার মতো আন্তর্জাতিক আইনের অসম্মান বলার সুযোগ নেই।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় স্থাপন করা শক্তিশালী রাডার দিয়ে তারা চীনের সামরিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষন করবে বলে চীন ক্ষোভ জানিয়েছে। এই শঙ্কার জায়গা থেকেই আলোচনার পরামর্শ দেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তবে নর্থ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের মতো দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানও প্রত্যাখ্যান করেছে।









