বাঙ্গি চাষ করে বদলে গেছে নরসিংদীর রায়পুরা চরাঞ্চলের কৃষকের জীবনযাত্রা। আকারে বড় ও খেতে সুস্বাদু হওয়ায় এই অঞ্চলের বাঙ্গির চাহিদা রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে।
জেলার রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলে পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগরে এ বছর ২৫ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ হয়েছে।বিঘা প্রতি কৃষকের খরচ হয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা। এক বিঘার বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
একজন কৃষক বলেন, আমাদের বিঘা প্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয়।ভালো ফলন হলে বিক্রি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা আসে। আরেকজন কৃষক বলেন, এইটা বেশ লাভজনক। সুবিধে হলো খরচটা মোটামুটি কম।আর এখানকার বাঙ্গি সাইজে অনেক বড় হয় এবং খেতে খুব সুস্বাদু।
নরসিংদীর বাঙ্গি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ ও কুমিল্লাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে যায়। অনেক জায়গায় খেত থেকেই পাইকাররা বাঙ্গি কিনে নিয়ে যান।তবে পাইকারদের অভিযোগ যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় পরিবহন খরচ অনেক বেশি। এক পাইকার ব্যবসায়ী বলেন, রাস্তাঘাট ভালো না থাকায় মালের খরচটা অনেক বেশি পড়ে যায়। রাস্তা ভালো হয়ে ব্যবসার অনেক সুবিধে হতো।
কৃষককে ভালো বীজ সরবরাহ করতে পারলে বাঙ্গি চাষ আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব জানায় কৃষি বিভাগ। নরসিংদী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক আব্বাস উদ্দিন বলেন, বাঙ্গির উৎপাদন কলাকৌশল, উন্নত পদ্ধতিতে বাঙ্গি চাষ এর উপর যদি কৃষকদের সম্পূর্ণভাবে অবহিত করতে পারি এবং তাদের ভালো বীজ সরবরাহ করতে পারি তাহলে বাঙ্গি চাষ নরসিংদী এলাকায় দ্রুত সস্প্রসারণ হবে।
আগামী বছর চরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে ভালো বীজ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।






