প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদে নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে আজও বিক্ষোভ করছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষামন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবি জানাচ্ছেন তারা। তাদের আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে আধাসামরিক বাহিনী। দিল্লির ১৬টি মেট্রোস্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিক্ষোভস্থলে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দ্রুত বিচার আদালত গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।






