নতুন বছরের প্রথম দিনে সারাদেশে প্রায় ৪ কোটি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, ইবতেদায়ি, দাখিল ভোকেশনাল, এসএসসি ভোকেশনাল, ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠী এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মোট ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ৯০ হাজার ১৬২টি পাঠ্যবই বিতরণ হয়েছে। রাজধানীর আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে উৎসব উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সেইধারায় সারাদেশের সব স্কুলে বই বিতরণ হয়েছে। নতুন শ্রেণীতে নতুন বই পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। বইয়ের পাতায় পাতায় নতুন গল্প, কবিতা আর অজানাকে জানার আগ্রহ তাদের। সন্তানদের এই বাঁধ ভাঙা খুশিতে আনন্দিত অভিভাবকরাও। শিক্ষাখাতে এই বই উৎসবকে জাতির একটি অর্জন বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রায় ১ লাখ কর্মীর নিরলস পরিশ্রমের পরে বছর বছর এই অর্জন ধরে রাখতে পারছে সরকার। বিষয়টি আসলেই আনন্দের। জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির নিয়ামক শক্তি যে শিক্ষা, বই তারই রসদ। যথাসময়ে বই সরবরাহ ও নতুন বছরে যথাসময়ে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা জাতি গঠনের পথ গতিশীল করবে নি:সন্দেহে। একটা সময় বছরের প্রথমদিনে এতো পরিমাণ বই বিতরণ করা যাবে কি যাবে না, তা নিয়ে সংশয় থাকলেও বেশ কয়েক বছর ধরে সফলতার সঙ্গে করতে পারছে সরকার। বর্তমান সময়ে শিক্ষাখাতে শিক্ষকদের দাবি-চাহিদার সমন্বয়হীনতা, প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ যেসব সমস্যা আছে, তাও ধীরে ধীরে ধীরে ওই বই বিতরণের সংশয়ের মতো দূর হবে বলে আমাদের আশাবাদ। সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষাসহ নানা বিষয়ে ঝলমলে হোক শিশুদের আগামী।









