সারাদেশে নৌযান শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে। এরফলে পণ্য ও যাত্রীবাহীসহ সব ধরণের নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ভেঙে পড়েছে সারাদেশের নৌ পরিবহন ব্যবস্থা।
ধর্মঘটে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বন্ধ রয়েছে সব ধরনের পণ্য পরিবহন। শুক্রবার রাতে সরকারি মালিকানার কয়েকটি লঞ্চ অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে সদরঘাট ছেড়ে গেছে।
ন্যূনতম মজুরির দাবিতে ২০ এপ্রিল বুধবার মধ্যরাত থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করে নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।
তবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সদরঘাট থেকে কয়েকটি লঞ্চ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে গেছে। লঞ্চ শ্রমিক আজিজুল বলেন, আমরা আশা করি তাড়াতাড়ি মালিকরা আমাদের দাবি মেনে নিবে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি দূর করবে।
রাতে সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া নৌযানগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। জরুরি প্রয়োজন, তাই অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে লঞ্চে উঠেছেন তারা।
সদরঘাট থেকে কোনো নৌযান না পেয়ে ফিরে গেছেন কয়েকশ’ যাত্রী। যাওয়ার জায়গা না থাকায়, অনেকেই রাত কাটিয়েছেন টার্মিনালে।
যাত্রীরা জানান, প্রথমে শুনেছিলাম লঞ্চ যাবে না। পরে শুনলাম ছাড়বে, সেই জন্য দ্রুত আবার টার্মিনালে এসেছি।
দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনা করে সমস্যার দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন যাত্রীরা।
এরই মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে সারাদেশে নৌপথে পণ্য পরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধ রয়েছে
গভীর সমুদ্রে মাছ শিকারও। চট্টগ্রাম বন্দরের বহিরনোঙ্গরে মাদার ভেসেল থেকে
লাইটারেজ জাহাজে পণ্য খালাস এবং ছাড়া বন্ধ রয়েছে।
এছাড়াও খুলনা এবং মংলা বন্দরেও
পরিবহন বন্ধ রয়েছে সব ধরনের দেশী-বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজের পণ্য
বোঝাই-খালাস।










