প্রায় সাড়ে ৬শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য কাশিয়ানি-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া রেললাইন প্রকল্প নিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন স্বপ্ন দেখছেন ওই এলাকার মানুষ। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার কথা বলেছে রেলওয়ে এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
কালুখালি-ভাটিয়াপাড়া রেললাইনের কাশিয়ানি স্টেশনের পাশে তৈরি বিশাল কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে চলছে কর্মযজ্ঞ। কয়েক একর জমির ওপর কাশিয়ানি-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের মালামাল রাখা হয়েছে এখানে।
এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, ট্রেনে করে জাতির জনকের সমাধিসৌধে যাওয়া এটি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলছে প্রকল্পের কাজ। এলাকার মানুষ জানালেন, চারটি রেললাইন হওয়াতে তাদের জীবন জীবিকা মান উন্নত হবে।
প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার ব্যাপারে আশাবাদী রেলমন্ত্রী। রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নজরদারিতেই এতাগুলো কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।এই প্রকল্পটিও দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য সকল কাজ করে যাচ্ছি।
২০১৭ সালে ৪৪টি ছোটবড় সেতু এবং একটি ওভারপাস পার হয়ে ট্রেন যাবে বঙ্গবন্ধুর মাজারে। ব্যবসা নয় আবেগ দিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ করার প্রত্যয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানেরও।
ম্যাক্স গ্রুপ লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই প্রজেক্টটা এমন এক জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, যেটা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজারের সঙ্গে কানেকটেড হচ্ছে । সেটার একটা সেন্টিমেন্ট আমার মধ্যে কাজ করছে। আমি চাই সঠিক সময়ের মধ্যেই সকল গুণাগুণ অক্ষুণ রেখে প্রজেক্টের কাজ শেষ করতে। এবং জাতির কাছে আমরা বার্তা দিতে চাই যে দেশের কোম্পানি একা একা বড় ধরণের প্রজেক্টগুলি শেষ করতে পারে।
কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে রেললাইন বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা গোপালগঞ্জসহ ঘোষিত ফরিদপুর বিভাগের মানুষের।







