চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন পেয়েছে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত দল। চূড়ান্ত মতামত দেয়ার আগে ঘটনার জায়গা পরিদর্শন করার কথা জানিয়েছেন ফরেনসিক দলপ্রধান ডাক্তার সোহেল মাহমুদ।
নিজের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে থাকা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর মরদেহ। বিছানায় পা আটকে থাকা এবং শরীরে অনেক আঘাতের চিহ্ন থাকায় দিয়াজকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করে পুলিশ।
তারপরও শুধু জিডি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় লাশ। পুলিশ ওই তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার আগেই ময়নাতদন্তের ফলাফলের কথা জানায় এক ছাত্রলীগ নেতা। এ কারণে সন্দেহ বাড়ে দিয়াজের স্বজনদের।
পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনের সঙ্গে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের কোন মিল না পেয়ে সন্দেহ আরও বাড়ে দিয়াজ পরিবারের।
দিয়াজ পরিবার সন্দেহের আঙ্গুল তোলে এক আওয়ামী লীগ নেতা আর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতির দিকে।
থানা পুলিশ মামলা নিতে আপত্তি করায় আদালতে যান দিয়াজের বোন। দিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করে তার পরিবার। সিআইডিকে ওই মামলার তদন্ত করতে নির্দেশ দেয় আদালত। আবার ময়না তদন্তে আবেদন করে সিআইডি। আদালতের নির্দেশে তার দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের তিন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞকে নিয়ে গঠিত কমিটি। এ পরিপ্রেক্ষিতে হত্যাকাণ্ডের ১৯ দিন পরে কবর থেকে লাশ তুলে ঢাকায় এনে দ্বিতীয় দফা ময়না তদন্ত হয়।
ময়নাতদন্তদল কোনভাবেই প্রভাবিত হবে না দাবি করেন কমিটি প্রধান ঢামেকের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ সোহেল মাহমুদ।
দিয়াজের পরিবার যাদেরকে অভিযুক্ত করছে তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে অভিযোগ এনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দিয়াজের পরিবার।







