সফররত সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্ট ম্যাচটিও বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার শঙ্কার মধ্যে পড়েছে। প্রথম দিনের ৮৮.১ ওভার খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাড়ায় ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান। টেস্ট ম্যাচটির দ্বিতীয় দিনে এসে সকাল থেকেই টানা বৃষ্টির বাধার মধ্যে পড়েছে। মিরপুরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো দল মাঠেই আসেনি।
শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করা ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’এর প্রভাবে ঢাকায় আজ সারাদিনই বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। শুধু আজ নয়, এই বৃষ্টি চলতে পারে আরও দুইদিন। আর তাই ঢাকার মিরপুরে শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত শেষ টেস্ট ম্যাচটিরও একটি বড় অংশ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর তাহলে দ্বিতীয় টেস্টের মূল খেলোয়াড় হয়ে উঠবে সেই যন্ত্রণার ‘বৃষ্টি’ই।
বৃষ্টির এমন বিড়ম্বনায় ঢাকা টেস্টকেও চট্টগ্রামের প্রথম টেস্টের ভাগ্যবরণ করে নিতে হতে পারে। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম টেস্ট ম্যাচটি শেষ দুদিন মাঠেই গড়ায়নি। যার ফলে দুর্দান্ত পারফর্ম করা টাইগারদের বিশ্বের একনাম্বার টেস্ট দল সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের আশা জাগিয়েও ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
ঢাকায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচটিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম দিন শেষে অপরাজিত থাকেন টাইগারদের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার নাসির হোসেন। তাকে সঙ্গ দিতে রয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে দিনের শুরুতেই তামিমকে হারানোর সাময়িক অস্বস্তি দূর হয়ে যায় পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের ধৈর্য্যশীল ব্যাটিংয়ে। মমিনুল হক ও ইমরুল কায়েসের ৬৯ রানের জুটি এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমের ৯৪ রানের জুটি বাংলাদেশকে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যায়।
তবে দিনের শেষে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে দুর্দান্ত পারফর্ম করতে থাকা টাইগারদের ব্যাটিংয়ে ধ্বস নামে। দলীয় স্কোরবোর্ডে শেষ ২১ রান যোগ করতে গিয়েই বাংলাদেশ হারায় মূল্যবান চারটি উইকেট। একে চলে যান স্বরূপে ফিরে অর্ধশতক হাঁকানো মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, বিশ্বসেরা অরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এবং প্রথম টেস্টে ব্যাটিংয়ে নিজের সামর্থের পরিচয় দিয়ে সাময়িক ঝড় বইয়ে দেয়া মোহাম্মদ শহীদ।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৫ রানের ইনিংসটি খেলেন মুশফিক। এছাড়াও মমিনুল হক ৪০, সাকিব ও মাহমুদুল্লাহ ৩৫ এবং ইমরুল কায়েস ৩০ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংস খেলেন।
বিশ্বসেরা টেস্ট বোলার ডেল স্টেইন এবং জেপি ডুমিনি তিনটি করে উইকেট লাভ করেন। ইনিংসের প্রথম শিকার তামিমকে ফিরিয়েই চারশোতম উইকেটের অনন্য অর্জনে পৌছান গতির ঝড় তোল স্টেইন। এছাড়ারও ডিন এলগার ও মরনে মরকেল একটি করে উইকেট পান।






