খুব গুরুত্বপুর্ণ একটা মিটিংয়ে গেছেন আপনি। নিজের কথা দিয়ে সবাইকে বোঝাতে হবে। এমনিতেই বেশ ভালোই কথা বলতে পারেন আপনি। গুছিয়ে সুন্দর সুন্দর শব্দ দিয়ে বক্তৃতা দিতে পারেন। কিন্তু কাউকে কনভিন্স করতে চাই আরও কিছু। কেবল মুখের কথা নয়। আপনার শারীরিক ভাষায় চাই আর্ট। সাফল্যের জন্য চাই নিয়ন্ত্রিত ও ভদ্র ‘বডি ল্যাংগুয়েজ’। কোনো বিষয়ে আপনি ইতিবাচক কি না, সেটা বলে দেবে আপনার শারীরিক আচরণই। এই মার্জিত দেহভঙ্গি দিয়েই আপনি জয় করতে পারেন অনেক কিছু। বিশেষ করে কর্পোরেট দুনিয়ায় বডি ল্যাংগুয়েজ তো ইদানিং সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ আদবকেতার মধ্যে পড়ে।
তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক শারীরিক ভাষার কিছু আদবকেতা—
কথায় থাকুক হাসি
কারও সঙ্গে কথা বলার সময় হাসি হাসি ভাব নিয়ে কথা বলুন। আপনার মুখের হাসি বলে দেবে আপনি আসলে কতটা আন্তরিক। তাই মুখটাকে গম্ভীর করে রাখবেন না। বরং ঠোঁট খুলে মিষ্টি হাসি দিয়ে চালিয়ে যান কথোপকথন।
হাত মেলান আত্মবিশ্বাসের সাথে
কারও সঙ্গে দেখা হলে হাত মেলানোটা এখন ভদ্রতা। কিন্তু এ সময় একেবারে নার্ভাস বোধ করবেন না। কিংবা অন্যদিকে মনোযোগ দেবেন না। আত্মবিশ্বাসের সাথে হাত মেলান হাসি মুখে। বেশি সময় ধরে নয় আবার অল্প সময় ধরেও নয়। নিয়ন্ত্রিত সময় ধরে হাত মেলান।
কথা হোক মুখোমুখি
মুখোমুখি বসে বা দাঁড়িয়ে কথা বলুন। মনোযোগ দিন তার দিকেই। অন্য দিকে ঘুরে বসে কথা বলবেন না একদম। দরকার অনুযায়ী ‘আই কনটাক্ট’ করুন আপনার শ্রোতার সঙ্গে। আর তাকেও সমান ভাবে কথা বলার সুযোগ দিন।
দরকার ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন
আপনার মুখের চাহনিও কিন্তু সাফল্যের জন্য গুরুত্বপুর্ণ। তাকে বোঝান যে আপনি তার সঙ্গেই কথা বলছেন আর তার কথাই মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। চোখে মুখে বিরক্তির ভাব যেন ফুটে না ওঠে।
সহজ রাখুন নিজেকে
অযথা মাথায় হাত দেওয়া, নাকে হাত দেওয়া, কানের ভিতর নখ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। এসব করলে মনে হবে আপনি মোটেও আত্মবিশ্বাসী নন। শরীরকে সহজ রাখুন। নিজেকে সহজ রাখুন। ফেমিনা








