স্পিন আক্রমণে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসার নাম তাইজুল ইসলাম। ঘরের মাঠে বল হাতে ছড়ি ঘোরাতে ওস্তাদ এ বাঁহাতি স্পিনার। সাউথ আফ্রিকায় গিয়ে কোনো পাত্তাই পাননি। ব্লুমফন্টেইনে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে সুযোগ পেয়ে ২৭ ওভার বল করে ১৪৫ রান দিয়ে দেখেননি উইকেটের মুখ। দেশে ফিরে জানালেন নিজের কিছু উপলব্ধির কথা।
রোববার মিরপুরে সংবাদ মাধ্যমকে সাউথ আফ্রিকার দুর্বোধ্য কন্ডিশন নিয়ে তাইজুল বলেন, ‘বাইরের অন্যান্য দেশের চাইতে সাউথ আফ্রিকা আমার কাছে বেশি কঠিন মনে হয়েছে। ওখানকার আবহাওয়া এই গরম এই শীত। শ্বাস কষ্টের ব্যাপারও আছে। আমরা হয়তো খাপ খাওয়াতে পারতাম; তাতে বেশি দিন সময় লাগতো। কিন্তু তারপরও আমরা যতটুক সময় পেয়েছি তারমধ্যেই খাপ খাইয়ে নিতে চেষ্টা করেছি। আমার কাছে সহজ মনে হয়নি ওখানে। অভিজ্ঞতা অবশ্যই হয়েছে। কেননা এমন কন্ডিশনে বাহিরে এটাই আমার প্রথম ছিল। আমার কাছে মনে হয়েছে বোলার হিসেবে আমার আরও উন্নতি করতে হবে।’
নিজ দেশের উইকেট যতটা স্পিন সহায়ক, সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশন ঠিক তার উল্টো। জ্বলে উঠতে না পারার হতাশার চেয়ে উইকেট আর কন্ডিশন নিয়েই আক্ষেপ ঝরল তাইজুলের কণ্ঠে, ‘সাউথ আফ্রিকার কন্ডিশনে প্রথম দিন বল করাটা খুবই কঠিন। কেননা প্রথম দিনে উইকেটে কিছুই থাকে না। আর ওখানকার মাটিটাও আলাদা। বল বাউন্স করে আবার ব্যাটেও আসে ভালো। কিন্তু ভেরিয়েশন দিলে লাভ হয় না। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনটা উইকেটে কোনও হেল্পই ছিল না। ওইদিন আমি যে অ্যাঙ্গেল থেকেই বল করছিলাম ওরা মারছিলো। ভেবেছি বল একটু ঘুরবে বা থামবে। এমন কিছুই হচ্ছিলো না। ওরা প্রথম দিনটা পুরো মুখস্থ খেলেছে।’
১৬ ম্যাচে তাইজুলের উইকেট ৫৪টি। টেস্টে নিজেকে মোটামুটি নিয়মিত সদস্য বানিয়ে ফেলেছেন। ওয়ানডে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করলেও তিন বছরের ক্যারিয়ারে ওয়ানডে খেলেতে পেরেছেন মাত্র ৪টি। তাইজুলের সঙ্গে সাউথ আফ্রিকা থেকে ফিরেছেন ওয়ানডে দলে জায়গা না পাওয়া শফিউল ইসলাম ও শুভাশিস রায়।










