দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সামরিক-বেসামরিকসহ সকলকে যার যার অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এনডিসি ও এএফডব্লিউ কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রশিক্ষণ সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এ বছর ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-এ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন বাংলাদেশের সামরিক-বেসামরিক ৫১ জন এবং বন্ধু প্রতিম দেশের সামরিক কর্মকর্তাসহ ৭৬ জন। এছাড়াও আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-এ অংশ নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন ৩৭ জন দেশি-বিদেশি সামরিক কর্মকর্তা।
প্রায় ১ বছরের প্রশিক্ষণ শেষে কর্মকর্তাদের হাতে সনদ তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রশিক্ষণ শেষ করা কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, তাদের জ্ঞান ও অঙ্গিকার জনগণের ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ লাগবে। তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল প্রাযুক্তিক জ্ঞান যেমন পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নে উদ্বুদ্ধ করছে, পাশাপাশি নানান প্রতিকূলতাও সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের সৃষ্টি করছে। আমি আশা করি, যে প্রশিক্ষণ আপনারা পেয়েছেন সেই জ্ঞান স্ব-স্ব ক্ষেত্রে কাজে লাগাবেন। পাশাপাশি এসব সমস্যা সমাধান করে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে আপনারা সক্ষম হবেন বলে আশা করি।
সামরিক বাহিনীর উন্নয়নে সরকারের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অংশিদারিত্ব ভবিষ্যতে আরো শক্তি সঞ্চয় করবে। সেভাবেই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এতে আপনাদের আন্তরিকতা ও সহযোগিতা একান্তভাবে প্রয়োজন। দেশকে যেন ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত হিসেবে গড়ে তুলতে পারি সেই প্রচেষ্টা নিজেদের জায়গা থেকে চালিয়ে যাবেন। কেউ যেন বাংলাদেশকে দরিদ্র বলে অবহেলা না করতে পারে। আমি চাই বাংলাদেশের সবার জীবন মান উন্নত হোক।
এ পর্যন্ত ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স এ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী এবং বেসামরিক প্রশাসনের প্রায় সাড়ে চার’শ কর্মকর্তা সনদ গ্রহণ করেছেন। আর আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স শেষ করেছেন তিন বাহিনীর প্রায় সাড়ে তিনশ কর্মকর্তা।






