নদীমাতৃক এ দেশের কৃষির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় পানি সম্পদের যথাযথ ও সুচিন্তিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেছেন, উপকূলীয় এলাকার পোল্ডারসমূহে ‘এআই’ ভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
আজ (৬ জুন) বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনা এ কথা বলেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দুর্যোগ মোকাবিলার বিষয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাস উপযোগী পৃথিবী গড়ে তোলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা সর্বদা সচেষ্ট রয়েছি।
বাজেট পরিকল্পনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামোসমূহকে স্বয়ংক্রিয় করার কাজ চলমান রয়েছে এবং উপকূলীয় এলাকার পোল্ডারসমূহে এআই ভিত্তিক মনিটরিং ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং এবং ইন্টারনেট অফ থিংস ৪ বিগ ডাটা ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত ও আন্তঃদেশীয় পানি প্রবাহের তথ্যাদি সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ পদ্ধতির উন্নয়ন করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বায়ুদূষণকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ ও হ্রাসের লক্ষ্যে বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্ৰণ বিধিমালা ২০২২) প্রণয়ন করা হয়েছে। বায়ুদূষণ মনিটরিং করার জন্য বিভাগীয় এবং শিল্পঘন শহরে স্থাপিত সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্র এবং কম্প্যাক্ট বায়ুমান পরিবীক্ষণ কেন্দ্র এর মাধ্যমে প্রাপ্ত বায়ুমান মনিটরিং উপাত্তসমূহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরাসরি অনলাইনে বিশ্লেষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং একিউআই হিসাবে ক্যালকুলেশন করে রিয়েল টাইম এয়ার কোয়লিটি সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়াও নদীমাতৃক এ দেশের কৃষির উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় পানি সম্পদের যথাযথ ও সুচিন্তিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। পানি সম্পদের দক্ষ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙ্গন রোধ, নদী ড্রেজিং, সেচ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গৃহীত ১৮২টি উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে গত তিন বছরে ৯২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।








