কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) সম্মেলনের দোহাই দিয়ে সরকার ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।
জিয়াউর রহমানের সমাধি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ থেকে সরকার বিএনপিকে বঞ্চিত করেছে বলেও অভিযোগ করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ফখরুল আক্ষেপ করে বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্য আমাদের যে আজ দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে শ্রদ্ধা জানাতে পারলাম না! সরকার আমাদেরকে এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিন ৭ নভেম্বর। ১৯৭৭ সাল থেকে আমরা গণতন্ত্রকে সুসংহত করার জন্য এ দিনটি পালন করে আসছি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। কিন্ত এ প্রথমবার আমরা তা পালন করতে পারলাম না। এ সরকার আমাদের দিবসটি পালন থেকে বঞ্চিত করেছে।
গণতন্ত্রবিরোধীরা সবসময় এ দিনটিকে বাধাগ্রস্থ করেছে বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।
মহাসচিব বলেন, আজ দেশে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করে ভিন্নভাবে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে সরকার। এ বন্দিদশা থেকে মুক্তির জন্য আমরা সংগ্রাম করছি। আমাদের নতুন করে শপথ নিতে হবে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে এ অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি চাই না। সচেতনভাবে আমরা সংঘাত এড়িয়ে যাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উপায়ে আমরা আমাদের সকল আন্দেলন চালিয়ে যেতে চাই।
১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের ঘোষণা:
১১ নভেম্বরের পরিবর্তে ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিপ্লব ও সংহতি দিবসের সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি।
ফখরুল বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে ১১ নভেম্বরের পরিবর্তে ১২ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি সরকার অনুমতি দিবে এবং সকল গণতান্ত্রিক কর্মসূচি পালন করতে দিবে।
৮ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে অনুমতি পায়নি বিএনপি।







