আবুল কাশেম হ্নদয়: দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিপীড়নের অভিযোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ভিসি প্রফেসর ড. মোঃ আলী আশরাফকে আবারও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার কার্যালয়ে তালা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। যদিও তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভিসি।
সোমবার শিক্ষক সমিতি এবং ‘অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কুবি’ নামক একটি শিক্ষক জোট ভিসিকে তার কার্যালয় ও বাসভবনে প্রবেশে বাধা প্রদানসহ চূড়ান্তভাবে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে তার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
গত দুদিন ধরে নিজ কার্যালয়ে আসেননি ভিসি প্রফেসর ড. মো: আলী আশরাফ।
অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. আশরাফ বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর কোন ভিত্তি নেই। তাদের কাছে যদি সুস্পষ্ট প্রমাণাদি থাকে তাহলে তারা এটা উপস্থাপন করুক।”
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন থেকে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেন শিক্ষক নেতারা। এর আগে ‘আত্মসাৎ করা অর্থ’ বিশ্ববিদ্যালয় তহবিলে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য রোববার রাতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামও দেওয়া হয় ভিসিকে ।
মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা বলেন, ‘৮ম জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী সকল ধরণের ডেপুটেশন ভাতা বাতিল করা হলেও উপাচার্য প্রতি মাসে নিয়মিত ১৫ হাজার ২৯৮ টাকা করে নেন। অবৈধ ভাবে উত্তোলিত এ সব টাকা উপাচার্যকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ফেরত দিতে হবে।’
শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো: আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান স্বাক্ষারিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যের নানা অনিয়ম , বিভিন্ন সময়ে ভিসিপন্থী শিক্ষকদের হাতে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনার বিচারসহ বেশ কিছু দাবি জানানো হয়।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানের উপস্থাপনায় সোমবারের মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো: আবু তাহের, সহ সভাপতি মো: শামিমুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী ওমর সিদ্দিকী রানা, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে গঠিত নতুন জোটের মুখপাত্র ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সভাপতি এন. এম. রবিউল আউয়াল চৌধুরীসহ শিক্ষক নেতৃবৃন্দ ও পরিবহন কর্মচারী ইউনিয়নের আহবায়ক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।








