গুলশানের হলে আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে বাংলাদেশী একটি পরিবার উদ্ধার পেয়েছে বলে ওই পরিবারের একজন সদস্য জানিয়েছেন।
জঙ্গিদের বিষয়ে জানতে পরে তাদের গোয়েন্দা দফতরে নিয়ে যাওয়া হয়।
গুলশানের ব্যবসায়ী রেজাউল করিম জানিয়েছেন, সকাল ৮টার দিকে তার ছেলে হাসনাত করিম, ছেলের বউ সাবিনা করিম এবং এক নাতি ও এক নাতনিকে উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও আরো ১১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। রেস্টুরেন্টে থাকা অন্যদের বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি।
মোট সাড়ে ১২ মিনিটের অভিযানে পালানোর সময়
৫ জঙ্গী নিহত হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে, একজনকে জীবিত ধরতে পারার খবর নিশ্চিত করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রেস্টুরেন্টে
আটকা পড়া
জিম্মিদের উদ্ধারে সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে অভিযান শুরু করে যৌথবাহিনী। শুক্রবার
রাত ৯টার দিকে হলে আর্টিজানে তলোয়ার ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৭-৮ জন
সন্ত্রাসী ঢুকে পড়ে। সেখানে ঢুকেই তারা জিম্মি করে বেশ কিছু মানুষকে।
সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে গিয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ডিবি পুলিশের সহকারি কমিশনার রবিউল ইসলাম এবং বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন আহমেদ। এছাড়া আরো কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
এরপর গভীর রাত থেকেই
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযানের প্রস্তুতিতে নিতে শুরু করে।
শুরুতে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি এবং সোয়াটের উপস্থিতি থাকলেও রাতের শেষ দিকে
তাদের সঙ্গে যোগ দেয় নৌবাহিনী কমান্ডো দল সিল এবং সেনাবাহিনীর বিশেষ
প্যারা কমান্ডো দল।







