দুই দেশ অংশীদার হয়ে কাজ করবে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সহযোগিতা
চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচিত বাঙালী
বংশোদ্ভুত সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের বক্তৃতায় এ আহবান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আশা করেন, বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক ইস্যুতে দুই দেশ সবসময়
অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্সে প্রথমবারের মত নির্বাচিত সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সোমবার বিকেলে স্বাগত জানান বৃটিশ পার্লামেন্টের স্পীকার জন বার্কো।
বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত ৩ জন এমপি রুশনারা আলী, রূপা হক ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ প্রায় ৩০ জন এমপি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তৃতায় বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের সংকটময় মুহুর্তে বৃটেনের জনগনের ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে এ সহযোগিতার ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করছে। কিন্তু আমাদের এখনও কিছুটা বৃটেনের সহযোগিতা প্রয়োজন। কারণ গ্রেট বৃটেন একটি বড় একটি দেশ। যে এতোদিন ধরে বাংলাদেশকে সাহায্য করে আসছে। আশাকরি আগামীতেও এ সাহায্য করবে।
শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেন, আগের মতো করেই আমরা ভবিষ্যতেও একসঙ্গে কাজ করব।
বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করার প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে তার সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশের সব ধরনের সমস্যার সমাধান করতে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরি করতে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করেছি। আমাদের সব প্রচষ্টার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দারিদ্র দূরীকরণ, জনগণকে তাদের মৌলিক অধিকার দেয়া। ইতিমধ্যে আমরা আমাদের দারিদ্রসীমা কমিয়ে ২২.৭ শতাংশে নিয়ে এসেছি। আমাদের লক্ষ একে অন্তত ১০ শতাংশে কমিয়ে আনা। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমরা তা করতে সমর্থ হবো।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় তথ্য প্রযুক্তিখাতে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।




