খুলনা জেলার তেরোখাদা উপজেলার দু:খের অপর নাম ভুতিয়ার বিল। জলাবদ্ধতার কারণে এক যুগ ফসল উৎপাদন বন্ধ এই বিলে। তবে সম্প্রতি বিলের উন্নয়নের জন্য সরকারের ২৮৮ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় আশার আলো দেখতে পেয়েছেন ৩০ গ্রামের প্রায় ২ লাখ মানুষ।
খুলনা শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে তেরোখাদা উপজেলা। এই উপজেলার ২১ হাজার হেক্টর জমি নিয়ে খুলনার দ্বিতীয় বৃহত্তম ভুতিয়ার বিল। ২০০৩ সাল থেকে এই বিলের পানি এবং চিত্রা নদীতে স্রোত না থাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের কোনো উপায় ছিল না। দিনে দিনে একসময়ের তিন ফসলী এই জমি পতিত পড়ে থাকে ।
সম্প্রতি এই বিল এবং বিলকে ঘিরে মানুষের জীবন জীবিকার উন্নয়নে সরকারের নেয়া প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস এখন পুরো তেরোখাদা উপজেলায়।
ভুক্তভোগীদের আশা, ভুতিয়ার বিল যে ভুত নামে পরিচিত তা মোচন হয়ে সোনার ফসল ফলবে। ১০ বছর যাবৎ তেমন কোনো ফসলও ফলছে না এখানে।
শুরু হয়েছে ভুতিয়ার বিলের খনন, বিলকে ঘিরে নির্মান করা হয়েছে প্রায় ১০ কিলোমিটার বেরিবাধ । আগামী দুয়েক বছরের মধ্যে বিলে আবারো সোনালী ফসল হবে এই আশা এলাকাবাসির ।
বিলের উন্নয়ন হলে এলাকায় শান্তির সুবাতাস বইবে বলে আশা স্থানীয় প্রশাসনের।তবে কিছু অসাধু ঘের মালিক নদীর লোনা পানি অবৈধভাবে বিলের ভেতর নেয়ার কারণে প্রকল্প সফল হওয়া নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে এলাকাবাসীর মনে।






