প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেছেন, তিস্তা চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের কোনো সমস্যা নেই, এটি এখন দিল্লি আর কলকাতার আলোচনার বিষয়। তবে তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের ওপর বাংলাদেশের চাপ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
ঐতিহাসিক স্থল সীমানা চুক্তির পর মোদির ঢাকা সফরে নতুন আর কী থাকছে, তা নিয়েই সবার কৌতূহল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক উন্নতি এবং সৌহার্দ্য নিয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান সমিতির সেমিনারেও উঠে আসে একই প্রসঙ্গ।
প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী বলেন, তিস্তা চুক্তি এখনো হয়নি। আমরা আমাদের দিক থেকে সমাধান করে ফেলেছি। বিষয়টা শুধু বাংলাদেশ-ভারতের বিষয় না, কলকাতা-দিল্লীর মধ্যেও বিশেষ বোঝাপড়া দরকার। আশা করি ওরা শিগগিরই সেটা করবে। আমরা চাপ দিচ্ছি, আগামী দিনেও চাপ দেবো যেন আরো দ্রুত সব সমস্যার সমাধান হয়।
দারিদ্র্য নিরসনে সার্কভুক্ত দেশগুলোর আঞ্চলিক সম্পর্ক স্থাপনে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বক্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, একাত্তরে আমরা রক্তেভেজা বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তৈরি করেছিলাম। আমাদের সি-পোর্ট, ল্যান্ডপোর্ট ও ট্রান্সপোর্টগুলোতে আরো ভারতীয় বিনিয়োগ আসবে এবং এর মাধ্যমেই আমরা সম্পর্কের সোপান তৈরি করতে পারবো।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কূটনৈতিক সাফল্য। আমাদের দেশের ভারত বিরোধী একটি রাজনৈতিক উপাদান যা এই বন্ধুত্ব নষ্ট করার চেষ্টা করতো সেটা দূর করতে তিনি তার দূরদর্শিতা দেখিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শুধু বাংলাদেশ ভারত সম্পর্ক নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে সারা পৃথিবীর যে সম্পর্ক সেই সম্পর্কের একটা ভিত্তি থাকতে হবে।
নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ আর ভারতের মধ্যে আন্তঃসংযোগের বিষয়টি এ সফরে গুরুত্ব পাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।







