চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের পর মহাজোট সরকারের সাবেক দুই শিল্পমন্ত্রীর অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের পর ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, অতীত না ঘেঁটে এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
দিলীপ বড়ুয়া শনিবার চকবাজারে গিয়ে বলেন, সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু যদি গুরুত্বের সঙ্গে নিতেন, তাহলে হয়তো এত দিনে পুরান ঢাকার কেমিক্যাল গোডাউন সরানো সহজ হতো।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে আমির হোসেন আমু পাল্টা দাবি করেন, নিজের দায় এড়াতে দিলীপ বড়ুয়া আবোল-তাবোল বকছেন। তার নিজের অযোগ্যতা ও অদক্ষতার কারণে সেই ব্যর্থতার দায় আমার ওপর চাপাতে চেয়েছেন।
এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের পর থেকেই বিষয়টি নানা মহলে আলোচনার ঝড় তোলে। মহাজোটে অনৈক্যের বিষয়টিও নজরে আনার চেষ্টা করেন কেউ কেউ।
দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, ‘চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ে অতীতের কথা আলোচনা করে লাভ নেই। মানুষকে যদি বাঁচাতে হয়, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে যার যার দায়িত্ব পালন করা উচিত।’
‘‘সবাই যেনো আমার সতর্ক হয়ে যাই। যারা হারিয়েছে তাদের মত আর কাউকে আমরা হারাতে চাই না। এ ব্যাপারে সকলের আন্তরিকতা দরকার। এই মর্মান্তিক সময়ে কেউ কাউকে দোষারোপ না করে, নির্দিষ্ট সময়ে এগুলো সরানো উচিত।’’
আরেক প্রশ্নের জবাবে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গতকাল দেখেছি সিটি করপোরেশনের সকল সংস্থার লোকজন নিয়ে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরান ঢাকা থেকে কেমিক্যাল গোডাউন নির্দিষ্ট সময়ে মধ্যে সরিয়ে নিয়ে যাবে। এটা শুধু কোনো কথার কথা না, বাস্তবায়ন করতে হবে । এ ব্যাপারে কোন ছাড় দিবেন না। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সড়ে যেতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, ঢাকা-৭ আসনে সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদসহ অনেকে।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে চুড়িহাট্টা এলাকার ভয়াবহ সেই অগ্নিকাণ্ডে শেষ খবর পর্যন্ত নিহত হয় ৬৯ জন। এখনো নিখোঁজ বেশ কয়েকজন।








