দাম্ভিকতা ও অহমিকা ছেড়ে সরকারকে আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করতে এসে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন আহ্বান জানান তিনি।
ফখরুল বলেন, প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে কি আমরা নির্দলীয় সহায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন চাইতাম? হবে না বলেই সহায়ক সরকারের কথা বলছি।
দেশের সকল রাজনীতিক দল সহায়ক সরকারের পক্ষে দাবি করে তিনি আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বলেন, দাম্ভিকতা ত্যাগ করে আলোচনায় আসুন। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বসুন। আলাপ-আলোচনা করুন।
রোবাবর সংসদে আওয়ামী লীগের সাংসদদের বিচার বিভাগের সমালোচনা প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, আপনারা ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় মানতে পারছেন না। ’৭২ এর সংবিধান আর থাকলো না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অথচ চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ’৭২ এর সংবিধান আপনারাই ধ্বংস করেছেন। একদলীয় শাসন কায়েম করে জনগণের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিলেন। এখন আবারও নতুন করে একই কায়দা কানুন করতে চাইছেন। কিন্তু আপনাদের সেই খায়েশ পূরণ হয়নি।

ফখরুল এসময় আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, আওয়ামী লীগের জন্মই হয়েছে মারামারি দিয়ে। দলের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা ভাসানীকে তারা মেরে দল থেকে বের করে দিয়েছিল। পরে তিনি ন্যাপ প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ হলো সন্ত্রাসী দল। তারা কোন যুক্তি মানে না। দেশে, দেশের গণতন্ত্র, রাজনীতিকে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। এরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। পেশী শক্তিতে বিশ্বাস করে। এমন দলের হাতে জনগণ নিরাপদ নয়। তাই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।
এর জন্য তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের দলের কর্মী বৃদ্ধির এই কাজকে আরো ভালোভাবে চালিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান।








