দুইশ পেরিয়ে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ
উইন্ডিজের লক্ষ্য ২১২

শুরুতেই এলো ১০ রানের ওভার। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে ৬১। পরেও রানের স্রোত বইল একই ধারায়। ১০.১ ওভারে বাংলাদেশ পূর্ণ করে দলীয় শতক। ৩৪ বলে ৬০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলা লিটন দাস সাজঘরে ফেরার পরও রান তোলার গতি থামেনি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সাকিব আল হাসানের অসাধারণ ফিনিশিংয়ে শুরুর মতোই হল শেষটা।
প্রথম ম্যাচে হেরে পিছিয়ে থাকা সিরিজের দ্বিতীয় টি-টুয়েন্টিতে বাংলাদেশ তুলেছে ৪ উইকেট হারিয়ে ২১১ রান। যেটি নিজেদের দলীয় সর্বোচ্চ সংগ্রহে দ্বিতীয়। তবে দেশের মাটিতে এটিই টাইগারদের সেরা সংগ্রহ।
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সংগ্রটি ২১৫/৫, গত মার্চে কলম্বোয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। নিধাস ট্রফির ওই ম্যাচে স্বাগতিকদের করা ২১৪ টপকে যায় বাংলাদেশ। আর ঘরের মাটিতে ও হোম অব ক্রিকেটে টাইগারদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ১৯৩/৫। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লঙ্কানদের বিপক্ষেই সেই সংগ্রহ গড়ে অবশ্য জেতা সম্ভব হয়নি।
শীতের সন্ধ্যায় মিরপুরে উষ্ণতা ছড়ান লিটন দাস। যতক্ষণ উইকেটে থাকলেন গ্যালারির দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন চার-ছক্কার প্রদর্শনীতে। উল্লাসে ফেটে পড়া গ্যালারি থেকে পালায় শীত! শেলডন কটরেলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে হাঁকান ৬টি চার ও দর্শনীয় ৪টি ছক্কা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তাতে বাংলাদেশ পায় দারুণ শুরু। বাঁহাতি স্পিনার ফাবিয়ান অ্যালেনের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে মিড উইকেটে তামিম ইকবাল যখন ক্যাচ দেন, বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৪.১ ওভারে ৪১ রান। এ বাঁহাতি ওপেনার ১৬ বলে একটি চারে করেন ১৫ রান।
দলীয় ফিফটি চলে আসে ৩৪ বলে। লিটনের ব্যাটের সঙ্গে তাল মেলান তিনে নামা সৌম্য সরকার। এ বাঁহাতি ২২ বলে ৩২ করে সাজঘরে ফেরার আগেই দলের সংগ্রহ একশ পাড়ি দেয়। জুটিতে আসে ৬৮ রান। কটরেলের দ্বিতীয় শিকার হওয়া সৌম্য ইনিংস সাজান ৩টি চার ও একটি ছক্কায়।
সৌম্যর পর ফিরে যান লিটনও। দুই সেট ব্যাটসম্যান পরপর সাজঘরে ফেরার পরও রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের পঞ্চম উইকেট জুটির অবিচ্ছিন্ন ৯১ রান বাংলাদেশকে পাইয়ে দেয় বিরাট সংগ্রহ। সাকিব ২৬ বলে ৪২ ও মাহমুদউল্লাহ ২১ বল খেলে ৪৩ রানের অপরাজিত থাকেন।






