২৭ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ডুব’। ‘ডুব’ দেখে আসার পর নানা রকম মন্তব্যে সরব ‘ডুব’ এর দর্শকরা। ইরফান খান, নুসরাত ইমরোজ তিশা, পার্ণো মিত্র অভিনীত ‘ডুব’ চলচ্চিত্র নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা সবকিছুরই জবাব দেয়ার চেষ্টা করছেন পরিচালক ফারুকী। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জবাব দিলেন ‘নিতু’ চরিত্র নিয়ে দর্শকদের বেশ কিছু প্রশ্নের।
ফারুকী তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন-
“তাহলে দেখা যাচ্ছে, আমাদের কতিপয় নারীবাদিদের প্রধান আপত্তি (তাদের ভাষ্যমতে) নিতু চরিত্রকে যথেষ্ট মহৎ না বানানোতে। যদিও আমি বুঝতে পারি নাই, নিতুকে কোথায় ছোট করা হইছে। নিতু দেয়াল টপকাইয়া প্রেম করতে গেছে বলে? তো সে কি জোর করে ঘরে ঢুকছে? জাভেদ হাসান দরজা খুলে দিয়েছিলো কিনা? নাকি নিতুর উচিত ছিলো জাভেদ-মায়ার বাসার ড্রইংরুমে বসে প্রেম করা? নিতু যে বলে, ডু আই রিয়েলি ডিজার্ভ দিস? সেটা কী নির্দেশ করে? জাভেদ হাসান প্রতিটা অপমানের সময় তার পাশে দাঁড়ানোটা কি তাদের ভালোবাসার কথা নির্দেশ করে নাকি করে না?
অন্যদিকে তাদের কথা শুনে মনে হচ্ছে, পরিবার ভেঙে যাওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মায়া আর সাবেরীর বেদনা দেখানো নারীপরিপন্থী হয়েছে। যেনো মায়া আর সাবেরী দুইজন পুরুষ।
আপনার এই চশমাটা খুলে, সাদা চোখে দেখলে বুঝবেন, আমার চেষ্টা ছিলো চরিত্রগুলারে যার যার বেদনা বা অসহায়ত্বের জায়গা তুলে ধরা। ভাবছিলাম, চলচ্চিত্রের চোখ না হোক সাধারণ ফিকশন পড়ার চোখ নিশ্চয়ই আছে।
যাই হোক, বাংলাদেশের দর্শক ভাই-বোনেরা, যারা ছবিটার প্রতি ভালোবাসা জানাচ্ছেন, চোখের জলের কথা বলছেন, অসহায় বোধের কথা বলছেন, ঘোর লাগা নৈশব্দের কথা বলছেন, তারা আমার সালাম নিবেন। এই জন্যই বলি, দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশের দর্শকই সবচাইতে অগ্রসর এবং প্রস্তুত নতুন সিনেমা ল্যাংগুয়েজের রস আস্বাদনে।
বাংলাদেশের ক্রিটিকরা যারা ছবিটার প্রতি মুগ্ধতা জানাচ্ছেন তাদের প্রতিও আমার সালাম’’।








