ইউপি নির্বাচন ও এইচএসসি পরীক্ষা কথা বিবেচনায় করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে
দক্ষিণাঞ্চলগামী সব যাত্রীবাহী নৌযানের ধর্মঘট ১০ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছে
বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। তবে পণ্যবাহী নৌযান আগের মতোই ধর্মঘটের
আওতায় থাকবে। এ সমস্যা সমাধানে মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে শনিবার বিকেলে বৈঠক করবে শ্রম মন্ত্রণালয়।
ন্যূনতম মজুরিসহ ১৫ দফা দাবিতে সারাদেশে ধর্মঘট শুরুর দুই দিন পর শুক্রবার রাতে তা কিছুটা শিথিল করেছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন এবং উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে ধর্মঘট ১০ মে পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন প্রেসিডেন্ট শাহ আলম ভূঁইয়া জানান, দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিভিন্ন রুটের চলাচলকারী এবং বৃহত্তর অঞ্চল বরিশালে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চের শ্রমিকদের কর্মবিরতীর কর্মসূচি আগামী ১০ মে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘোষণার পরপরই রাতে রাজধানীর সদরঘাট টার্মিনাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলগামী বেশ কয়েকটি লঞ্চ ছেড়ে গেছে।
নৌ শ্রমিকদের ধর্মঘটকে অযৌক্তিক বলেছেন লঞ্চ মালিকরা। লঞ্চ মালিক জামাল হোসেন বলেন, আসলে এ ধর্মঘটটি লঞ্চ ধর্মঘট ছিলো না এটি কার্গো এবং কোস্টারের। আপাতত এটাকে জড়িয়েছে একদল সুবিধাভোগী কিছু মানুষ। ধর্মঘট করে যখন দেখলো কিছু হয়নি তখন নিজেরাই সরে গেছে।
তবে দুই দিন ধর্মঘট থাকালে অদক্ষ চালক দিয়ে যাত্রীবাহী নৌ-যান চালানোর সমালোচনাও করেন শ্রমিকরা। পণ্যবাহী নৌযান এবং খুলনাগামী যাত্রীবাহী নৌযানে ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।








