মেয়াদপূর্তির ১ বছর আগেই ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব পদত্যাগ করেছেন। রাজ্যপালের কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে বিপ্লব লিখেছেন, তাকে যেন শনিবারই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এনডিটিভি জানিয়েছে, বিপ্লব দেব এক লাইনের পদত্যাগপত্র লিখে পাঠিয়েছেন রাজ্যপালকে। তিনি কেন এমনভাবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিলেন তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। ত্রিপুরার রাজনীতিতেও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।
পরে অবশ্য বিপ্লব স্পষ্ট করে দেন, বিজেপির শীর্ষ মহলের নেতৃত্বেই বিধানসভা ভোটের ১০ মাস আগেই মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন। এবার সংগঠনের কাজ করবেন তিনি।
বিপ্লব বলেন, ‘আমি বিজেপির ন্যায়নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা। আশা করি, আমায় যে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই পদে থেকে ত্রিপুরার মানুষকে ন্যায় প্রদানের চেষ্টা করেছি। এখন পার্টি চাইছে যে সংগঠনের কাজ করি। সংগঠন থাকলে তবেই সরকার থাকবে। দীর্ঘ সময় আমার মতো কর্মকর্তা কাজ করলে সরকার দীর্ঘ সময় থাকবে।’
সেইসঙ্গে বিপ্লব বলেন, ‘প্রত্যেকের কাজের একটি নির্ধারিত সময় থাকে।’

এর আগে ২০১৮ সালের ৯ মার্চ ভারতের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেব। শপথ নেওয়ার আগে বিপ্লব বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করেন বলে সেসময় জানিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং।
বিপ্লব রাজ্য বিজেপির দায়িত্ব পান ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে। তার পৈত্রিক বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়ায়। উপজেলার মেঘদাইর গ্রামের হিরুধন দেব ও মিনা রানী দেবের একমাত্র ছেলে বিপ্লব।
১৯৭১ সালে তার মা-বাবা ত্রিপুরা চলে যান। তারা সেখানেই স্থায়ী বাসিন্দা হন। বিপ্লবের অনেক আত্মীয়স্বজন কচুয়ায় বসবাস করছেন। তার চাচা প্রাণধন দেব কচুয়া উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি।








